📌 ভারতের এক পরিবার ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন ধার দেওয়া ৩৫ হাজার টাকা সুদসহ ফেরত চেয়েছে। ১০৯ বছর পর যুক্তরাজ্যের সরকার বিষয়টি যাচাইয়ে নথিপত্র চেয়েছে। পরিবারটির দাবি, তাদের পূর্বপুরুষ যুদ্ধকালীন তহবিলে অর্থ দিয়েছিলেন
ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক ব্যবসায়ী পরিবার ব্রিটিশ সরকারের কাছে ১৯১৭ সালে ধার দেওয়া ৩৫ হাজার টাকা সুদসহ ফেরত চেয়েছে। দীর্ঘ ১০৯ বছর পর বিষয়টি যুক্তরাজ্যের সরকারের নজরে আসায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের মধ্যপ্রদেশের ব্যবসায়ী পরিবার ব্রিটিশ সরকারকে ১৯১৭ সালে ৩৫ হাজার টাকা ধার দিয়েছিল
- 📌 পরিবারটির দাবি, তাদের পূর্বপুরুষ জুম্মালাল রুঠিয়া যুদ্ধকালীন তহবিলে অর্থ প্রদান করেছিলেন
- 📌 যুক্তরাজ্যের সরকার পারিবারিক নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য পরিবারের কাছে তথ্য চেয়েছে
- 📌 পরিবারটি সুদ, চক্রবৃদ্ধি সুদসহ সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত চাইছে
📰 বিস্তারিত
প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে ভারতীয় সৈন্যদের ভরণপোষণের জন্য ব্রিটিশ সরকার তহবিল সংগ্রহ করেছিল। সেই সময় মধ্যপ্রদেশের ব্যবসায়ী জুম্মালাল রুঠিয়া সরকারকে ৩৫ হাজার টাকা ধার দেন বলে পরিবারের দাবি। চৌঠা জুন ১৯১৭ তারিখে প্রদত্ত একটি শংসাপত্রকে তারা এই লেনদেনের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে পুরোনো নথি ঘাঁটতে গিয়ে তারা এই ঋণ সংক্রান্ত দলিলটি খুঁজে পান। পরবর্তীতে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন তারা। যুক্তরাজ্যের সরকার বিষয়টি তদন্তের জন্য পরিবারের কাছ থেকে আরও তথ্য চেয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের সদস্য গৌতম রুঠিয়া বিবিসিকে বলেন, "দেখুন, আমরা ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে একটি ইমেইল পেয়েছি, যেখানে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। তারা আরও বলেছে যে বিষয়টি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। যাচাইয়ের জন্য তাদের যা যা তথ্য প্রয়োজন, আমরা তা পাঠিয়ে দিচ্ছি।"
"কয়েক মাসের মধ্যে এই প্রথম আমরা যুক্তরাজ্যের সরকারের কাছ থেকে সাড়া পেয়েছি। আমাদের আশা জেগেছে। এই বিষয়টি টাকার ঊর্ধ্বে। আমাদের কাছে এটি আমাদের পৈতৃক ঐতিহ্যের বিষয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপ্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুম্মালাল রুঠিয়া (পূর্বপুরুষ), গৌতম রুঠিয়া (পরিবারের সদস্য), বিনয় রুঠিয়া (পরিবারের সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ হাজার টাকা, ১০৯ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!