📌 পশ্চিমবঙ্গের গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে ধর্ষণ-হত্যা ও খুনের অভিযোগে পুলিশের হাতে অভিযুক্তদের এনকাউন্টার করে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তরা পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে গুলিতে মারা যান। পরিবার প্রশ্ন তুলছে যে, এনকাউন্টার কেন ঘটে এবং কেন মৃত্যু হয়
পশ্চিমবঙ্গের গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে ধর্ষণ-হত্যা ও খুনের অভিযোগে পুলিশের হাতে অভিযুক্তদের এনকাউন্টার করে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে গুলিতে মারা যান। তবে পরিবার ও অভিযুক্তদের আত্মীয়রা প্রশ্ন তুলছেন যে, এনকাউন্টার কেন ঘটে এবং কেন মৃত্যু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইঘাটা: ১৭ বছর বয়সী কিশোরীর ধর্ষণ-হত্যার অভিযোগে তার আত্মীয়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার পুনর্নির্মাণে অভিযুক্ত পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে গুলিতে মারা যান।
- 📌 সামশেরগঞ্জ: বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডলের খুনের অভিযোগে অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে এনকাউন্টার করে মারা যান। ঘটনায় অভিযুক্তও পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।
- 📌 পুলিশের অভিযোগ: অভিযুক্তরা পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে গুলিতে মারা যান। তবে পরিবার প্রশ্ন তুলছে যে, এনকাউন্টার কেন ঘটে এবং কেন মৃত্যু হয়।
- 📌 পূর্ববর্তী ঘটনা: জুলাই মাসে বারুইপুরে ঘটা একই ধরনের এনকাউন্টার ঘটনার সাথে এই ঘটনাগুলোর মিল রয়েছে। উত্তর প্রদেশে ১৭ হাজার ৪৩টি এনকাউন্টার ঘটনার ঘটনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গাইঘাটায় ১৭ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে জানা যায় যে, পুলিশি হেফাজতে থাকার সময়ই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গুলিও চলায় সে এবং একজন পুলিশকর্মী জখম হন। পুলিশ পাল্টা গুলি চালায় এবং অভিযুক্তের মৃত্যু হয়।
সামশেরগঞ্জে গত সেপ্টেম্বর মাসে বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল নিখোঁজ হয়েছিলেন। পরে জানা যায়, খুন হয়েছেন ওই বিজেপি কর্মী। ঘটনায় সেপ্টেম্বর মাসেই গ্রেফতার হয়েছিলেন তিন অভিযুক্ত। আজ ২৭শে অক্টোবর সামশেরগঞ্জের ডাকবাংলা এলাকায় পুলিশ মূল অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার চেষ্টা করে। তখন অভিযুক্ত পুলিশের হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ এবং তখন একটি কথিত এনকাউন্টারে তার মৃত্যু হয়।
গাইঘাটায় ঘটনাটি সম্পর্কে অভিযুক্তের ভাই বলেছেন, "মেয়েটিই দাদার দোকানে এসে অনেকবার ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল।" তিনি বিশ্বাস করেন না যে, অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক কেড়ে পালাতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারে আসার পর থেকে এনকাউন্টার ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, এনকাউন্টার ঘটনার সময় অভিযুক্তরা পুলিশের অস্ত্র নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং গুলিতে মারা যান। তবে পরিবার ও আত্মীয়রা প্রশ্ন তুলছেন যে, এনকাউন্টার কেন ঘটে এবং কেন মৃত্যু হয়।
"মেয়েটিই দাদার দোকানে এসে অনেকবার ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইঘাটা, সামশেরগঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ১৭ বছর বয়সী কিশোরী, অভিযুক্তের ভাই, বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল, পুলিশ কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর (কিশোরীর বয়স), ২৪ পরগনা (জেলা), ২৫ অক্টোবর (ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা), ২৭ অক্টোবর (এনকাউন্টার), ১৭ হাজার ৪৩টি (উত্তর প্রদেশে এনকাউন্টার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!