📌 ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রথমদলী নারী সিলিয়া ফ্লোরেস মার্কিন আদালতে আবেদন করেছেন হৃদরোগের কারণে বাড়িতে নিরাপদে থাকার সুযোগ পাবেন। তার আইনজীবীরা বলেছেন, মার্কিন কারাগারে থাকাকালীন তার স্বাস্থ্য দ্রুত অবনতির মুখে পড়েছে এবং তিনি হৃদরোগের চিকিৎসার প্রয়োজন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে কারাগারে বন্দী ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রথমদলী নারী সিলিয়া ফ্লোরেস দাবি করেছেন, তার হৃদরোগের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। তিনি মার্কিন আদালতে আবেদন করেছেন বাড়িতে নিরাপদে থাকার সুযোগ পাবেন। তার আইনজীবীরা বলেছেন, মার্কিন সামরিক অভিযানের পর থেকে তার স্বাস্থ্য অবনতির মুখে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলিয়া ফ্লোরেস মার্কিন আদালতে আবেদন করেছেন, তার হৃদরোগের কারণে বাড়িতে নিরাপদে থাকার সুযোগ পাবেন। তিনি নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
- 📌 তার আইনজীবীরা বলেছেন, জানুয়ারি মাসে মার্কিন সামরিক অভিযানের পর থেকে তার স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে পড়েছে। তিনি মিট্রাল ভালভ প্রোল্যাপস রোগে আক্রান্ত এবং এখন চারটি ঔষধের উপর নির্ভরশীল।
- 📌 জুলাই ২৯ তারিখে মার্কিন কারাগারে থাকাকালীন তার হৃদরোগের কারণে সম্ভাব্য হৃদরোগের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। তার আইনজীবীরা দাবি করেছেন, তিনি মাসিক ইনজেকশন পাননি, যা তার রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করত।
- 📌 ডাক্তাররা বলেছেন, সিলিয়া ফ্লোরেসের জন্য হৃদরোগের শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন। তার আইনজীবীরা বলেছেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি পূর্ণ সুস্থতার জন্য যথাযথ সময় পাবেন না।
- 📌 আদালত কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে, সিলিয়া ফ্লোরেসকে ম্যানহাটনের একটি আদালত-নিয়ন্ত্রিত বাড়িতে নিরাপদে রাখা হবে, যেখানে তিনি ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা চৌকিদারির অধীনে থাকবেন।
📰 বিস্তারিত
সিলিয়া ফ্লোরেস, ভেনেজুয়েলার সাবেক রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর স্ত্রী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কারাগারে বন্দী অবস্থায় তার স্বাস্থ্য অবনতির মুখে পড়েছেন। তার আইনজীবীরা বলেছেন, মার্কিন সামরিক অভিযানের পর থেকে তার স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে পড়েছে। মার্কিন সামরিক অভিযানের সময়, সিলিয়া ফ্লোরেস এবং তার স্বামী নিকোলাস মাদুরো ভেনেজুয়েলা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিলেন।
সিলিয়া ফ্লোরেসের আইনজীবীরা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার আগে তিনি স্বাস্থ্যবান ছিলেন এবং মাসিক ইনজেকশন ছাড়া কোনো ঔষধ গ্রহণ করতেন না। কিন্তু বর্তমানে তিনি চারটি ঔষধের উপর নির্ভরশীল এবং হৃদরোগের কারণে নাইট্রোগ্লিসারিন রাখেন নিজের পাশে। তার আইনজীবীরা বলেছেন, ডাক্তাররা তার জন্য হৃদরোগের শল্যচিকিৎসা পরামর্শ দিয়েছেন, যা তার সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সিলিয়া ফ্লোরেসের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, তিনি জুলাই ২৯ তারিখে মার্কিন কারাগারে থাকাকালীন হৃদরোগের কারণে সম্ভাব্য হৃদরোগের লক্ষণ দেখিয়েছেন। তারা আরও বলেছেন, কারাগারে থাকাকালীন তার মাসিক ইনজেকশন পাননি, যা তার মিট্রাল ভালভ প্রোল্যাপস রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করত। তার পরিবর্তে, তাকে বেবি এসপিরিন, স্ট্যাটিন, ডিল্টিয়াজেম এবং নাইট্রোগ্লিসারিন দেওয়া হয়েছে।
সিলিয়া ফ্লোরেসের আইনজীবীরা বলেছেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি পূর্ণ সুস্থতার জন্য যথাযথ সময় পাবেন না। তারা আদালত কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব করেছেন, তাকে ম্যানহাটনের একটি আদালত-নিয়ন্ত্রিত বাড়িতে নিরাপদে রাখা হবে, যেখানে তিনি ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা চৌকিদারির অধীনে থাকবেন। তার বাড়ি এবং ফোন কালের রেকর্ডিং করা হবে এবং তার সাক্ষাতের তালিকা আদালত কর্তৃপক্ষের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
"পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলা আক্রমণের আগে, মিসেস ফ্লোরেস দে মাদুরো শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন এবং নিয়মিত কোনো ঔষধ গ্রহণ করতেন না, শুধুমাত্র মাসিক ইনজেকশন নিতেন মিট্রাল ভালভ প্রোল্যাপস নিয়ন্ত্রণে। এখন তিনি চারটি ঔষধের উপর নির্ভরশীল এবং হৃদরোগের সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য নাইট্রোগ্লিসারিন রাখেন নিজের পাশে।"
"তিনি যে কোনো শল্যচিকিৎসার পর থেকে পূর্ণ সুস্থতার জন্য যথাযথ সময় পাবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিলিয়া ফ্লোরেস দে মাদুরো, নিকোলাস মাদুরো, জজ আলভিন কে হেলারস্টাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯ বছর (সিলিয়া ফ্লোরেসের বয়স), ৬৩ বছর (নিকোলাস মাদুরোর বয়স), ২৯ জুলাই (হৃদরোগের সম্ভাব্য আক্রমণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!