📌 যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ভিসা নীতি, যেখানে শিক্ষার্থীদের চার বছরের বেশি এবং সাংবাদিকদের ২৪০ দিনের বেশি অবস্থান নিষিদ্ধ ছিল। ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসি এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে বলে জানা গেছে
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় সময় ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, বোস্টনের ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক এফ ডেনিস সেলর (চতুর্থ) ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ভিসা নীতির কার্যকর হওয়ার এক দিন আগে তা স্থগিত করে দেন। এই নীতির আওতায় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে চার বছরের বেশি অবস্থান এবং সাংবাদিকদের ২৪০ দিনের বেশি ভিসা দেওয়া বন্ধ থাকত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ বছরের বেশি অবস্থান নিষিদ্ধ: ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নীতিতে শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে চার বছরের বেশি অবস্থান করা বন্ধ থাকত।
- 📌 সাংবাদিকদের ২৪০ দিনের সীমা: বিদেশি সাংবাদিকদের ২৪০ দিনের বেশি ভিসা দেওয়া বন্ধ থাকত, যদিও তারা বাড়তি ২৪০ দিনের আবেদন করতে পারতেন।
- 📌 ১৬ লাখ শিক্ষার্থী ও ৫ লাখ জে ভিসাধারী: এফ ভিসা ও জে ভিসা ধারীরা এই নীতির আওতায় পড়তেন।
- 📌 ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসি মামলা: নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয়সহ ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসি এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
- 📌 বিচারক সেলর: অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা: বিচারক সেলর বলেন, এই নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও অর্থনীতিতে বিপর্যয়কর ক্ষতি হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের বিচারক এফ ডেনিস সেলর (চতুর্থ) ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ভিসা নীতির কার্যকর হওয়ার এক দিন আগে তা স্থগিত করে দেন। এই নীতির আওতায় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে চার বছরের বেশি অবস্থান করা বন্ধ থাকত। এছাড়া, বিদেশি সাংবাদিকদের ২৪০ দিনের বেশি ভিসা দেওয়া বন্ধ থাকত। তবে তারা বাড়তি ২৪০ দিনের আবেদন করতে পারতেন।
বিচারক সেলর বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থায় কোটি কোটি শিক্ষাবিদ যুগান্তকারী গবেষণা ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে অবদান রেখেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও অর্থনীতিতে বিপর্যয়কর ক্ষতি হতে পারে। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দুর্বল এবং অভিবাসী কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাবে না।
এই নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসি মামলা করেছে। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, এই নীতির লক্ষ্য হলো অভিবাসী পরিবারগুলোকে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। তিনি বলেন, স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতা ঠিক করার একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের। ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে নিজেরাই নতুন নীতি কার্যকর করতে চাইছে।
"বিদ্যমান ব্যবস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি শিক্ষাবিদ যুগান্তকারী গবেষণা ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে অবদান রেখেছেন। প্রস্তাবিত ভিসা নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে যে ক্ষতি হবে, তা বিপর্যয়কর হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (বোস্টন, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক এফ ডেনিস সেলর, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর (শিক্ষার্থীদের সীমা), ২৪০ দিন (সাংবাদিকদের সীমা), ১৬ লাখ (এফ ভিসাধারী), ৫ লাখ (জে ভিসাধারী), ২২টি (অঙ্গরাজ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!