📌 যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে সংযত বক্তব্য রাখতে ইউরোপের লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে সতর্ক করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে রাশিয়াকে উসকানি না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য সংযত রাখতে ইউরোপের কিছু দেশকে সতর্ক করেছে। বিশেষ করে লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে বক্তব্য সংযত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগের পিছনে রয়েছে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান খোঁজার নতুন প্রচেষ্টা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেন্টাগন রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্য বক্তব্য সংযত করার জন্য লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে সতর্ক করেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কলবি রাশিয়াকে ‘উসকানি’ না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ ও জ্বালানি অবকাঠামো হামলা বন্ধের আলোচনা করছে
- 📌 ইউরোপীয় নেতাদের রাশিয়াকে ‘কোণঠাসা ইঁদুর’ তুলনা করার বক্তব্য পেন্টাগনকে উদ্বেগজনক বলে মনে হয়েছে
- 📌 ন্যাটোর অভ্যন্তরে রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য সংযত করার জন্য ইউরোপের কিছু দেশকে সতর্ক করেছে। বিশেষ করে লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়াকে বক্তব্য সংযত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কলবি এই বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়াকে কোনোভাবেই ‘উসকানি’ দেওয়া উচিত নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগের পিছনে রয়েছে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান পঞ্চম বছরে প্রবেশ করা। ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ ও জ্বালানি অবকাঠামো হামলা বন্ধের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাশিয়ার হুমকিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরলে তা ক্রেমলিনের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। অন্যদিকে, আরেকটি পক্ষ মনে করে, রাশিয়ার হুমকির বিষয়টি ইউরোপীয় সরকারগুলোর জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা উচিত। কারণ, মস্কোকে প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকার ও সম্পদ ব্যয়ের বিষয়ে জনগণকে অবহিত রাখা জরুরি।
এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিখাল গত সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘কোণঠাসা ইঁদুর’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান স্থবির হয়ে পড়ায় পুতিন ইউরোপে নাশকতামূলক তৎপরতার আশ্রয় নিচ্ছেন। পেন্টাগন এই ধরনের বক্তব্য সহায়ক নয় বলে মনে করেছে।
"মিত্রদের মধ্যে ব্যক্তিগত আলোচনা ব্যক্তিগতই থাকে। তাই এসব অভিযোগ নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), মস্কো (রাশিয়া), লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলব্রিজ কলবি (পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান), ক্রিস্টেন মিখাল (এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!