📌 যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ থেকে অন্তত ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে, যা বর্তমান ৮০ হাজার সেনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের মার্কিন ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে। ন্যাটোর পূর্ব দিকের সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছে ইউরোপীয় সরকার ও মার্কিন আইনপ্রণেতারা
যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে বর্তমানে মোতায়েন করা ৮০ হাজার সেনার মধ্যে অন্তত ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে যেতে পারে। পেন্টাগন এই সিদ্ধান্তের জন্য ছয় মাসব্যাপী পর্যালোচনা চালিয়ে আসছে, যেখানে জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ থেকে ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে, যা বর্তমান ৮০ হাজার সেনার ৩০% কমে যাবে
- 📌 জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে
- 📌 ন্যাটোর পূর্ব দিকের সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় সরকার ও মার্কিন আইনপ্রণেতারা
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামরিক পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছেন
- 📌 ৬ নভেম্বর মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী চূড়ান্ত সুপারিশ পাবেন, যা পরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা হবে
📰 বিস্তারিত
পেন্টাগন ইউরোপে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ছয় মাসব্যাপী পর্যালোচনা চালিয়ে আসছে। এই পর্যালোচনায় বিমান, নৌ ও স্থলবাহিনীর বিকল্প ব্যবহারের পাশাপাশি ন্যাটোর পূর্ব দিকের মিত্র দেশগুলোতে কিছু মার্কিন সেনা পুনর্বিন্যাসের বিষয়গুলোও বিবেচনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপিয়ান কমান্ডের প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে প্রাথমিক বিশ্লেষণ জমা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করছে, ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রকে অন্যান্য অঞ্চলে সামরিক মনোযোগ বাড়াতে। তবে এই পরিকল্পনার খবরে ইউরোপীয় সরকার ও মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত সেনা সরিয়ে নিলে রাশিয়ার আগ্রাসন রোধে ন্যাটোর সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও পেন্টাগনের মধ্যে মতবিরোধেরও খবর পাওয়া গেছে। গত জুনে পেন্টাগন যখন ন্যাটো প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বড় পরিসরে সেনা কমানোর বিষয়টি জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাতে হস্তক্ষেপ করেন। মার্কিন সিনেটররা পররাষ্ট্র দপ্তর ও কূটনীতিকদের পুরোপুরি যুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
"যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করছে, ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপ (জার্মানি, ইতালি, স্পেন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫-৪০ হাজার সেনা প্রত্যাহার, বর্তমান ৮০ হাজার সেনা, ৬ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!