📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিসা দেবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্য। যুদ্ধের সময় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও প্রতিনিধিদলের ভ্রমণ ও ক্রয় সীমাবদ্ধ থাকবে
যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের শীর্ষ নেতাদের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের অনুমতি দেবে। স্থানীয় সময় ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলছে এবং দুই দেশের মধ্যে মাঝেমধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আব্বাস আরাগচিসহ ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
- 📌 আগামী সপ্তাহে শুরু হবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন
- 📌 ভ্রমণ ও ক্রয় সীমাবদ্ধতা থাকবে — বিলাসবহুল পণ্য কেনা নিষিদ্ধ
- 📌 গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েলের সংঘাত
- 📌 ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদেরও ভিসা দেওয়া হয়নি — ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের কারণে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইরানের শীর্ষ নেতাদের যোগদানের অনুমতি দেওয়া হবে। এই অধিবেশনে ইরানের প্রতিনিধি দলের আকার গত বছরের তুলনায় ছোট হবে। মার্কিন নীতি অনুযায়ী, তারা বিলাসবহুল পণ্য কেনার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে। এছাড়া তাদের চলাচল সীমাবদ্ধ থাকবে — জাতিসংঘের সদর দপ্তর, নিউইয়র্কের ইরানের জাতিসংঘ মিশন, রাষ্ট্রদূতের বাসভবন এবং নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি বিমানবন্দর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হবে।
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদেরও ভিসা দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে আন্তর্জাতিকীকরণে ভূমিকা রেখেছেন। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালগুলোতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা চালানোর বিষয়টিও রয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকেও ভিসা দেওয়া হয়নি।
১৯৪৭ সালের জাতিসংঘের সদর দপ্তর চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত বিদেশি কূটনীতিকদের জাতিসংঘে প্রবেশের অনুমতি দিতে বাধ্য। তবে নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির কারণে তারা ভিসা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
"প্রতিনিধি দলটি ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে। তারা বিলাসবহুল ও অন্যান্য পণ্য কেনার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র), জাতিসংঘ সদর দপ্তর, জন এফ. কেনেডি বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মাসুদ পেজেশকিয়ান, আব্বাস আরাগচি, মাহমুদ আব্বাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ফেব্রুয়ারি (সংঘাত শুরু), ১৭ সেপ্টেম্বর (সিদ্ধান্ত ঘোষণা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!