📌 যুক্তরাষ্ট্র সরকার আসন্ন সপ্তাহগুলোতে প্রায় দুই লাখ বিদেশির ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা বাতিলের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে। এসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় দুই লাখ বিদেশির ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা বাতিলের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সূত্রে জানা যায়, এসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র সরকার দুই লাখ বিদেশির ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে
- 📌 এসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ যৌথভাবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করবে
- 📌 ভিসা বাতিলের ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কার হবে না, তবে তাদের ভিসার ধরন পরিবর্তন করা হবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ অভিবাসন আইনকে ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন
📰 বিস্তারিত
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের অ-অভিবাসী ভিসা বাতিল করবে যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের ভিসা বাতিল করছি যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।"
পররাষ্ট্র দপ্তরের সূত্রে জানা যায়, এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একক বৃহত্তম ভিসা বাতিলের ঘটনা হবে। মার্কিন সরকারের সূত্র অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কার হবে না। পরিবর্তে, বেশিরভাগ ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন চলমান থাকবে এবং তাদের ভিসার ধরন পরিবর্তন করা হবে।
উপরন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন, অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসা ব্যবহার করে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বজুড়ে মানুষ মিথ্যা রাজনৈতিক আশ্রয়ের দাবিতে বিরক্ত। রাজনৈতিক আশ্রয় কোনো অভিবাসন আইনের ফাঁকি দেওয়ার উপায় নয়।"
গত বছরের শুরু থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার অভিবাসন আবেদনকারীদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস সম্পর্কে আরও তথ্য প্রদান, ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যয়বহুল বন্ড জমা দেওয়া এবং নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রদান নিষিদ্ধ করা।
গত ১৮ মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ভিসা বাতিল করেছে যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে ধর্ষণ ও ডাকাতি পর্যন্ত। এছাড়া মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলার জন্যও ভিসা বাতিল করা হয়েছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের নাগরিকদের ক্ষেত্রে।
"আমরা হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের ভিসা বাতিল করছি যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।"
"যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বজুড়ে মানুষ মিথ্যা রাজনৈতিক আশ্রয়ের দাবিতে বিরক্ত। রাজনৈতিক আশ্রয় কোনো অভিবাসন আইনের ফাঁকি দেওয়ার উপায় নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ, টমি পিগট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই লাখ, ১ লাখ ৭৫ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!