📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মজার ইশকুলের আলোয় এসএসসিতে ৯২ শতাংশ উত্তীর্ণের গল্প

মজার ইশকুলের আলোয় এসএসসিতে ৯২ শতাংশ উত্তীর্ণের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মজার ইশকুলের শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯২ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছে। কুলসুম, তাসপিয়া ও সুমাইয়ার মতো শিক্ষার্থীদের সাফল্য তাদের পরিবারের জীবনে নতুন স্বপ্নের দরজা খুলে দিয়েছে

ঢাকার আগারগাঁও ও মানিকনগরের মজার ইশকুল থেকে প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯২ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছে। মানিকনগর শাখা থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাস করেছে। এসব শিক্ষার্থীর অধিকাংশই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণি থেকে উঠে আসা শিশু, যাদের জন্য নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকাই ছিল প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মজার ইশকুলের প্রথম এসএসসি ব্যাচে ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে
  • 📌 মানিকনগর শাখা থেকে ১২ জনের মধ্যে ১১ জন পাস করেছে
  • 📌 বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৮৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে কুলসুম
  • 📌 ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৭২ পেয়েছে তাসপিয়া
  • 📌 আগারগাঁওয়ের কুমিল্লা বস্তির তাসপিয়ার পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে
  • 📌 সুমাইয়া জিপিএ ৩.৭২ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে, যার ফলে তার মা কান্নায় ভেঙে পড়েন
  • 📌 দুই শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন, অন্যরা কলেজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত মজার ইশকুলের যাত্রা শুরু হয়েছিল এমন সব শিশুদের নিয়ে, যাদের জীবনে স্কুল ছিল স্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। অনেক শিশুই তখন পথে কিংবা বস্তিতে বেড়ে উঠছিল, কারও পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মা, আবার কারও পরিবারে পরের দিনের খাবারের নিশ্চয়তাও ছিল না। এমন প্রতিকূল পরিবেশে শিশুদের স্কুলে ধরে রাখা এবং তাদের পরিবারকে শিক্ষার গুরুত্ব বোঝানো ছিল সংস্থাটির প্রাথমিক লড়াই।

১৪ বছরের সেই যাত্রায় অবশেষে মজার ইশকুলের শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আগারগাঁও ও মানিকনগর শাখা মিলিয়ে মোট ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। মানিকনগর শাখা থেকে ১২ জনের মধ্যে ১১ জন উত্তীর্ণ হওয়ায় পাসের হার দাঁড়ায় প্রায় ৯২ শতাংশ। সংখ্যাটি ছোট মনে হলেও এর পেছনের গল্পগুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৮৩ পেয়ে উত্তীর্ণ কুলসুম ছিল তার পরিবারের প্রথম এসএসসি পাস করা ব্যক্তি। রিকশাচালক বাবার স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় পরিবারে আনন্দের পাশাপাশি মজার ইশকুলের সুনামও বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৭২ পেয়ে উত্তীর্ণ তাসপিয়ার পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। তাসপিয়ার মতো অনেক মেয়েরই ইতিমধ্যে বাল্যবিবাহ হয়ে গেলেও সে এসএসসি পাস করে কলেজে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

আগারগাঁওয়ের কুমিল্লা বস্তির সুমাইয়া জিপিএ ৩.৭২ পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়ায় তার মা অফিস রুমে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বারবার শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, মজার ইশকুল না থাকলে মেয়েকে এতদূর পড়ানোর সামর্থ্য তার ছিল না। তবে তার মনে নতুন দুশ্চিন্তাও দেখা দেয়—কলেজের খরচ কীভাবে চালানো হবে। সংস্থাটি তাকে আশ্বস্ত করেছে যে তারা সুমাইয়ার পাশে থাকার চেষ্টা করবে।

"শিক্ষা একজন শিশুকে শুধু একটি সার্টিফিকেট দেয় না, তাকে নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয়, আত্মবিশ্বাস দেয় এবং নিজের পরিবারের বাস্তবতা বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখায়।"

মজার ইশকুলের প্রতিষ্ঠাতারা জানান, তাদের কাছে এসএসসির ফলাফল শুধু কয়েকটি সংখ্যা নয়। তাদের কাছে সাফল্য ছিল একজন শিশুকে স্কুলে ধরে রাখা, তাকে নিয়মিত উপস্থিত রাখা এবং পরিবারের অর্থনৈতিক চাপ থেকে মুক্ত রাখা। অনেক শিশুরই জন্মসনদ ছিল না, যার কারণে স্কুলে ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে বারবার বসতে হয়েছে। এমন ছোট ছোট কাজই অনেক সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থামিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।

বর্তমানে দুই শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন, অন্যরা কলেজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সংস্থাটি চায়, শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষায় যাক কিংবা দক্ষতা অর্জন করুক, কিন্তু তারা যেন নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগারগাঁও ও মানিকনগর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুলসুম, তাসপিয়া, সুমাইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২ শতাংশ, ২০ জন, ১১ জন, জিপিএ ৪.৮৩, জিপিএ ৪.৭২, জিপিএ ৩.৭২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖