📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীর হামলা বন্ধের শর্তে ইরানের ওপর থেকে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের তেহরান সফরের সময় এই প্রস্তাব ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীর হামলা বন্ধের শর্তে ইরানের ওপর থেকে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের তেহরান সফরের সময় ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাব ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীর হামলা বন্ধের শর্তে ইরানের ওপর থেকে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের প্রধান শর্ত: বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল পরিবহনের প্রধান জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচলের নিশ্চয়তা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ বন্ধ করা
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি: ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ স্থগিত বা বাতিল, ইরানের ওপর থেকে যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ইরানি সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর থেকে চলমান নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার
- 📌 ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহারসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে
- 📌 পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজাইয়ের সাথে বৈঠক করেন
📰 বিস্তারিত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীর হামলা বন্ধের শর্তে ইরানের ওপর থেকে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চ্যানেল আল এরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সম্প্রতি তেহরান সফরকালে ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাবটি ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল পরিবহনের প্রধান জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ জাহাজ চলাচলের নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ বন্ধ করতে হবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র গত ২৪ আগস্ট মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের ঘোষণা করা ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ স্থগিত বা বাতিল করবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ইরানের ওপর থেকে যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ইরানি সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর থেকে চলমান নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
সফরকালে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজাইয়ের সাথে বৈঠক করেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের উপাদানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার অংশ হিসেবেই এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
"যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন প্রস্তাবের বিপরীতে তেহরান এখনো তাদের পূর্বের দাবিতে অনড় রয়েছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৩০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার, আটকে থাকা ১০০ থেকে ১২৩ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করা, নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং লেবানন ও গাজাসহ পুরো অঞ্চলে সার্বিক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে তেহরান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান, ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, মহসেন রেজাই, স্কট বেসেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ শতাংশ, ২৪ আগস্ট, ৩০০ বিলিয়ন ডলার, ১০০ থেকে ১২৩ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!