📌 মার্কিন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর রিপাবলিকানরা ট্রাম্প সরকারের বিদেশী নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা করছে। ইরান যুদ্ধ ও ইসরায়েলের সাথে মার্কিন সম্পর্কের পরিবর্তন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের কথা উঠে এসেছে। ডেমোক্র্যাটরা ইসরায়েলকে সহায়তা বন্ধের দাবি তুলেছেন এবং এআইপিএসি’র প্রভাব কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিডটার্ম নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট পার্টি উভয় কংগ্রেস কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশী নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু করেছে। বিশেষত ইরান যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের সাথে মার্কিন সম্পর্কের পরিবর্তন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের কথা উঠে এসেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানী মূল্য বেড়ে গেছে এবং এই যুদ্ধের খরচ হয়েছে ৪৭ বিলিয়ন ডলার। তিনি বলেছেন, “আমাদের হারার প্রকৃত কারণ সবার কাছে স্পষ্ট, যা ইরান যুদ্ধের কারণে হয়েছে।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন কংগ্রেসের মিডটার্ম নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে রিপাবলিকানদের ইরান যুদ্ধ ও ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কের পরিবর্তন নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছে।
- 📌 ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানী মূল্য বেড়ে গেছে এবং এই যুদ্ধের খরচ হয়েছে ৪৭ বিলিয়ন ডলার।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০% ভোটার ইরান যুদ্ধকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন এবং কস্ট অফ লিভিংকে ভোটের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- 📌 মিশিগানের ডেমোক্র্যাট সিনেটর-এলেক্ট আব্দুল এল-সায়েদ ইসরায়েলকে মার্কিন সহায়তা বন্ধের দাবি তুলেছেন এবং এআইপিএসি’র প্রভাব কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছে।
- 📌 চাথাম হাউজের বিশ্লেষক অ্যান্ড্রু পেইন বলেছেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মার্কিন অবস্থানের পার্টি লাইন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিডটার্ম নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট পার্টি উভয় কংগ্রেস কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশী নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু করেছে। বিশেষত ইরান যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের সাথে মার্কিন সম্পর্কের পরিবর্তন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষের কথা উঠে এসেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানী মূল্য বেড়ে গেছে এবং এই যুদ্ধের খরচ হয়েছে ৪৭ বিলিয়ন ডলার। তিনি বলেছেন, “আমাদের হারার প্রকৃত কারণ সবার কাছে স্পষ্ট, যা ইরান যুদ্ধের কারণে হয়েছে।”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০% ভোটার ইরান যুদ্ধকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন এবং কস্ট অফ লিভিংকে ভোটের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। চাথাম হাউসের বিশ্লেষক অ্যান্ড্রু পেইন বলেছেন, “ভোটাররা যুদ্ধের বিস্তারিত বিষয়ে চিন্তা করছিলেন না, কিন্তু তারা যুদ্ধের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাপনের খরচ বৃদ্ধির সংযোগ দেখেছেন এবং রিপাবলিকানদের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
মিশিগানের ডেমোক্র্যাট সিনেটর-এলেক্ট আব্দুল এল-সায়েদ ইসরায়েলকে মার্কিন সহায়তা বন্ধের দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, “আমরা আমাদের টাকার ব্যবহার করতে চাই না যাতে তা ইসরায়েলের আপার্টহাইড বা জেনোসাইডে বা যুদ্ধে যায় না।” এল-সায়েদের এই দাবি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মার্কিন অবস্থানের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এআইপিএসি (American Israel Public Affairs Committee) বলেছে, তাদের সমর্থিত ২৩৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তবে তাদের প্রভাবের পরিমাপ করা হলে দেখা যায়, তাদের অর্থের বেশিরভাগ অংশ কোথায় গিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
"ভোটাররা যুদ্ধের বিস্তারিত বিষয়ে চিন্তা করছিলেন না, কিন্তু তারা যুদ্ধের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাপনের খরচ বৃদ্ধির সংযোগ দেখেছেন এবং রিপাবলিকানদের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, ডেট্রয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জে ডি ভ্যান্স (ভাইস প্রেসিডেন্ট), আব্দুল এল-সায়েদ (সিনেটর-এলেক্ট), অ্যান্ড্রু পেইন (চাথাম হাউস বিশ্লেষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ বিলিয়ন ডলার (ইরান যুদ্ধের খরচ), ৬০% (ইরান যুদ্ধকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখানো ভোটার), ২৩৪ (এআইপিএসি সমর্থিত প্রার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!