📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রত্যাখ্যানের পর মিডটার্ম নির্বাচনে হস্তক্ষেপের ভয় দেখিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। ট্রাম্পের প্রশাসন মেইল-ইন ভোটিং নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও সুপ্রিম কোর্টের রায়ে রাজ্যসমূহের নিজস্ব নিয়মাবলী অব্যাহত থাকবে। তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্পের প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিডটার্ম নির্বাচনের আগে নির্বাচন কর্মকর্তারা অস্থিরতার ভয় দেখিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রত্যাখ্যানের পর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছেন। ট্রাম্পের প্রশাসন মেইল-ইন ভোটিং নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যসমূহ নিজস্ব নিয়মাবলী অনুসরণ করতে পারবে। তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্পের প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারে, যেমন ভোটপত্র দখল বা ভোটদাতাদের ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন:** *"এই সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা হলেন যারা আমি সেবার জন্য সাক্ষাত্কার নেয়নি। তারা মূলত তাদের মূল স্বরূপের ছায়া, যারা যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে শকিং রায় দিয়ে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।"
- 📌 **মেইল-ইন ভোটিং অব্যাহত থাকবে:** সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যসমূহ নিজস্ব নিয়মাবলী অনুসরণ করতে পারবে। মেইল-ইন ভোটিং এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশ নিয়ে থাকে।
- 📌 **নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন:** নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্পের প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য ভোটপত্র দখল, ভোটদাতাদের ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, সাইবার আক্রমণ বা ভোটদাতাদের হুমকি দেওয়ার মতো বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারে।
- 📌 **বিপক্ষের প্রতিবাদ:** মার্কিন নাগরিক অধিকার ইউনিয়ন (ACLU) এবং ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের মতো সংগঠনগুলি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী ফেডারেল নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ রাজ্য ও কংগ্রেসের হাতে থাকে, না প্রেসিডেন্টের।
- 📌 **কংগ্রেসের প্রতিবাদ:** ২৬১ জন সাবেক ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। তারা বলেছেন, *"সংবিধান স্পষ্টভাবে বলেছে যে ফেডারেল নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ রাজ্য ও কংগ্রেসের হাতে থাকে, না প্রেসিডেন্টের।"*
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রত্যাখ্যানের পর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছেন। ট্রাম্পের প্রশাসন মেইল-ইন ভোটিং নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যসমূহ নিজস্ব নিয়মাবলী অনুসরণ করতে পারবে। তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্পের প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারে।
মেইল-ইন ভোটিং যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে চলছে এবং এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশ নিয়ে থাকে। তবে ট্রাম্পের প্রশাসন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ভোটপত্র দখল, ভোটদাতাদের ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, সাইবার আক্রমণ বা ভোটদাতাদের হুমকি দেওয়ার মতো বিভিন্ন উপায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বিপক্ষের প্রতিবাদও ক্রমবর্ধমান। মার্কিন নাগরিক অধিকার ইউনিয়ন (ACLU) এবং ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের মতো সংগঠনগুলি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী ফেডারেল নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ রাজ্য ও কংগ্রেসের হাতে থাকে, না প্রেসিডেন্টের। কংগ্রেসের ২৬১ জন সাবেক ও বর্তমান সদস্যও সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। তারা বলেছেন, *"সংবিধান স্পষ্টভাবে বলেছে যে ফেডারেল নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ রাজ্য ও কংগ্রেসের হাতে থাকে, না প্রেসিডেন্টের।"*
"এই সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা হলেন যারা আমি সেবার জন্য সাক্ষাত্কার নেয়নি। তারা মূলত তাদের মূল স্বরূপের ছায়া, যারা যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে শকিং রায় দিয়ে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন ডিসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেমি রাস্কিন, আলেক্স প্যাডিলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬১ জন কংগ্রেস সদস্য, ১/৩ ভোট মেইল-ইন ভোটিং
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!