📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিকদের পুনর্বহাল করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে না
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া মার্কিন কূটনীতিকদের পুনরায় দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ফিরিয়ে আনছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে’ ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা তাদের নেই
- 📌 চলতি বছরের শুরুতে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির আশঙ্কায় বিপুল সংখ্যক মার্কিন কূটনীতিককে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল
- 📌 মার্কিন প্রশাসন প্রথম দফায় লেবাননে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সর্বাধিক ৮৫ শতাংশ কর্মী পুনর্বহাল করবে
- 📌 ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনে কর্মী পুনর্বহালের হার সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উপসাগরীয় দেশগুলিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ বিধিনিষেধ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিকদের পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিদেশি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন যে, ‘এই মুহূর্তে’ ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা তাদের নেই। বরং ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির হুমকি দিচ্ছে।
চলতি বছরের শুরুতে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির আশঙ্কায় মার্কিন প্রশাসন বিপুল সংখ্যক কূটনীতিককে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে নিয়েছিল। এর ফলে অনেক মার্কিন কর্মকর্তা তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তি এবং পরিবার নিয়ে পুনরায় মধ্যপ্রাচ্যে ফিরে আসার অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উপসাগরীয় দেশগুলিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ বিধিনিষেধ পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যেই লেবানন ও ইরাকে কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণে বিধিনিষেধ রয়েছে। ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কুয়েত ও বাহরাইন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যে, মার্কিন প্রশাসন প্রথম দফায় লেবাননে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সর্বাধিক ৮৫ শতাংশ কর্মী পুনর্বহাল করবে। অন্যদিকে ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনে কর্মী পুনর্বহালের হার হবে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ। মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে কর্মী পুনর্বহালের পরিকল্পনা করা হয়েছে এমন দেশের মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইরাক ও কুয়েত।
‘এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো হামলা শুরু করবে না। পরিবর্তে, আমরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর হুমকি দিচ্ছি।’ — মার্কো রুবিও, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য (ইসরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইরাক, কুয়েত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ শতাংশ (লেবাননে কর্মী পুনর্বহাল), ৭৫ শতাংশ (ইরাক, কুয়েত, বাহরাইনে কর্মী পুনর্বহাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!