📌 মার্কিন ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি অবৈধ ঘোষণা করেছেন। বিচারক জ্যানেট ভার্গাস জানুয়ারির ওই নীতিকে কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন বলে রায় দিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটানের ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি অবৈধ ঘোষণা করেছেন। বিচারক জ্যানেট ভার্গাস গতকাল শুক্রবার এ রায় দেন। তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আইনগত ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে ওই নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন
- 📌 বিচারক জ্যানেট ভার্গাস জানুয়ারির ওই নীতিকে কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দাবি করেছিল, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন
- 📌 মামলাটি পরিচালনা করেন অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা দুটি সংগঠন ও তালিকাভুক্ত দেশগুলোর অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীরা
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি অবৈধ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আইনগত ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে ওই নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। বিচারক ভার্গাস তাঁর রায়ে উল্লেখ করেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করার এ নীতি প্রচলিত আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।
জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর যে নীতি ঘোষণা করেছিল, তা কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনের পরিপন্থী ছিল বলে আদালত উল্লেখ করেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি ছিল, তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি ভাতা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এসব দেশের মধ্যে লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া; দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অনেক দেশও তালিকাভুক্ত ছিল।
এ রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির কড়াকড়ির কারণে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাঁরা বলছেন, প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতির কারণে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
"আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা দেওয়া বন্ধ করার এ নীতি প্রচলিত আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক জ্যানেট ভার্গাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!