📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আইরাক থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার: পেন্টাগন ঘোষণা, দেশের সার্বভৌমত্বে নতুন যুগের সূচনা

আইরাক থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার: পেন্টাগন ঘোষণা, দেশের সার্বভৌমত্বে নতুন যুগের সূচনা

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পেন্টাগন ঘোষণা করেছে মার্কিন সেনাদের আইরাক থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। ১২ বছরের অপারেশন শেষে মার্কিন সেনারা এবারবারের মতো দেশটি ছেড়ে চলে গেছে, যা আইরাকের সরকারের কাছে সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে

পেন্টাগন আজ ঘোষণা করেছে মার্কিন সেনাদের আইরাক থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রত্যাহারের মাধ্যমে মার্কিন সেনারা ২০০৩ সালের গ্লোবাল ওয়ার অন টেরর অপারেশনের অংশ হিসেবে আইরাকে পাঠানো শেষ বাহিনীকে দেশ থেকে সরিয়ে নেয়। এই ঘোষণা আইরাকের সরকারের কাছে সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দুই দশক ধরে চলা যুদ্ধ ও বিদেশি হস্তক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৫০০ মার্কিন ও মিত্র বাহিনী** এরবিল এয়ারবেস থেকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা ২০২৬ সালের শেষের দিকে সম্পন্ন হয়েছে।
  • 📌 **পেন্টাগনের মুখপাত্র সিন প্যারনেল** বলেছেন, “এটি একটি ১২ বছরের ক্যাম্পেইনের সাফল্য, যা আইরাক ও অঞ্চল জুড়ে আইএসআইএসকে একটি সংগঠিত সামরিক হুমকি হিসেবে পরাজিত করেছে।”
  • 📌 **আইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি** প্রত্যাহারকে নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং আহ্বান জানিয়েছেন regional ও foreign powers-কে আইরাকে বিনিয়োগ করতে।
  • 📌 **আইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী** এখন থেকে দেশের বাকি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, বিশেষত আইএসআইএসের অবশিষ্টাংশ ও ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া সমূহের বিরুদ্ধে একাকী দায়িত্ব নেবে।
  • 📌 **মার্কিন সেনা কমান্ড সেন্টকম** বলেছে, এখন থেকে এ ধরনের অপারেশন জর্ডানে স্থানান্তরিত হয়েছে, যেখানে সিরিয়ায়ও মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

পেন্টাগনের মুখপাত্র সিন প্যারনেলের মতে, মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার একটি “অর্ডারলি ডিপারচার” ছিল। এরবিল এয়ারবেসে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্র বাহিনী ২০১৫ সালে আইএসআইএসের উত্থানের পর পুনরায় পাঠানো হয়েছিল। ২০১৭ সালে আইএসআইএসের অঞ্চলীয় পরাজয়ের পর থেকে মার্কিন সেনারা উপদেশদাতা ভূমিকায় ছিল।

প্যারনেল আরও বলেছেন, “এটি একটি যুদ্ধকালীন মিশনের থেকে একটি আইরাক-নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা প্রচেষ্টায় একটি পরিবর্তন। মার্কিন সরকার এখন থেকে লক্ষ্য করে আইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করার মাধ্যমে একটি সাধারণ দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সম্পর্ক গড়ে তোলা।”

২০২০ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনা ২০২৪ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও প্রাক্তন আইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছিল।

আইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি বলেছেন, “এই প্রত্যাহার নতুন যুগের সূচনা। আমরা আশা করি regional ও foreign powers-কে আইরাকে বিনিয়োগ করতে এবং দেশের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা উন্নয়নে সহায়তা করতে।” তিনি আরও বলেছেন, ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে দেশের শক্তিশালী ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াগুলোকে অস্ত্রহীন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

"আইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী, পেশমেরগা এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীকে আইরাকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইএসআইএসের অবশিষ্টাংশকে দমন করতে অবশ্যই নেতৃত্ব দিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: এরবিল এয়ারবেস, কুর্দিস্তান অঞ্চল, আইরাক
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সিন প্যারনেল (পেন্টাগন মুখপাত্র), আলি আল-জায়েদি (আইরাকি প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), জো বাইডেন (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০০ মার্কিন ও মিত্র বাহিনী, ১৭০,০০০ মার্কিন সেনা (২০০৭ সালে শীর্ষে), ১২ বছর (অপারেশন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖