📌 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পদে জাইমা রহমান সভাপতিকে আইনি পরামর্শ দেবেন এবং জাতিসংঘের আইন ও রীতির ভেতর সভাপতির কার্যক্রম নিশ্চিত করবেন
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পদে জাইমা রহমানের দায়িত্ব হবে সভাপতিকে আইনি পরামর্শ প্রদান এবং জাতিসংঘের আইন ও রীতির ভেতর সভাপতির কার্যক্রম নিশ্চিত করা। সামাজিক মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়ে প্রশ্ন ও আলোচনা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে** বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- 📌 **জাইমা রহমান**কে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি সভাপতিকে আইনি পরামর্শ দেবেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আইনি দিকগুলি নিশ্চিত করবেন।
- 📌 **লিগ্যাল অফিসারের কাজ** হলো রেজুলেশন কীভাবে উত্থাপন করা যায়, কোনো প্রস্তাবের সংশোধনী গ্রহণযোগ্য কি না, এবং সভাপতির সিদ্ধান্তকে নিরপেক্ষ রাখতে আইনি সুরক্ষা প্রদান করা।
- 📌 **৪০ জন কর্মকর্তা** নিয়ে গঠিত সভাপতির কার্যালয়ে জাইমা রহমান ছাড়াও বাংলাদেশের আর পাঁচজন কর্মকর্তা কাজ করছেন।
- 📌 **সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের টিমে** জাইমা রহমানের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন, যেমন: কূটনীতিক মো. আব্দুল আলিম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন, মফিজুল ইসলাম, জাকির আহমেদ এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৯০টি সদস্য দেশের গোপন ভোটে খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ৯ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শপথ গ্রহণ করেন। এছাড়াও, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীও সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কর্মকর্তাদের তালিকায় জাইমা রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে কর্মরতদের তালিকায় ৪০ জনের মধ্যে জাইমা রহমান ছাড়াও আরও পাঁচজন বাংলাদেশি রয়েছেন। লিগ্যাল অফিসারের কাজ হলো সভাপতিকে আইনি পরামর্শ প্রদান করা, রেজুলেশন কীভাবে উত্থাপন করা যায় তা দেখতে দেখতে, এবং সভাপতির সিদ্ধান্তকে নিরপেক্ষ রাখতে আইনি সুরক্ষা প্রদান করা।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেছেন, সভাপতি হিসেবে যেসব কাজ খলিলুর রহমান করবেন তার আইনি দিকগুলোই লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দেখভাল করতে হবে জাইমা রহমানকে। তিনি আরও বলেছেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে জাতিসংঘে কর্মরত স্থায়ী কর্মীদের পাশাপাশি নিজের এখতিয়ার থেকে কয়েকজনকে নিয়োগ করতে পারেন সভাপতি।
"এই পদে কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে এটি মূলত সভাপতি হিসেবে যিনি দায়িত্বে থাকবেন তার এখতিয়ার। জাতিসংঘে স্থায়ীভাবে কাজ করেন যারা তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ যেমন সভাপতির সঙ্গে যুক্ত হবেন, তেমনি সভাপতি নিজের চাহিদা অনুযায়ীও কিছু ব্যক্তিকে তার কার্যালয়ে নিয়োগ করতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘ সদর দপ্তর, নিউইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাইমা রহমান, খলিলুর রহমান, মুন্সি ফয়েজ আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম অধিবেশন, ৪০ জন কর্মকর্তা, ১৯০টি সদস্য দেশ, ৯৯ ভোট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!