📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৫ বছর পর ডার্বান ঘোষণাপত্রের স্মরণে জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ বৈঠক: কী আলোচনা হবে, কে অংশ নেবে?

২৫ বছর পর ডার্বান ঘোষণাপত্রের স্মরণে জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ বৈঠক: কী আলোচনা হবে, কে অংশ নেবে?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ডার্বান ঘোষণাপত্রের ২৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপনের জন্য উচ্চপদস্থ বৈঠক করবে। এই ঘোষণাপত্রে বিশ্বব্যাপী নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণের জন্য একটি বিস্তৃত কাঠামো প্রদান করা হয়েছে। বৈঠকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়, নির্যাতিত জনগোষ্ঠী ও অভিবাসন নীতি নিয়ে আলোচনা হবে

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ডার্বান ঘোষণাপত্রের ২৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপনের জন্য উচ্চপদস্থ বৈঠক করবে। এই বৈঠকে ২০০১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডার্বান শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাপী নির্যাতন ও বৈষম্য বিরোধী সম্মেলনের ১৫৩ পৃষ্ঠার বিস্তৃত নথি ডার্বান ঘোষণাপত্র ও কর্মসূচি (ডিডিপিএ) পুনরায় আলোচিত হবে। এই নথিটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে নির্যাতন, বৈষম্য ও বৈদেশিক দখলদারির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। বৈঠকে একটি রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হবে বলে জাতিসংঘের প্রত্যাশা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২৫ বছর পর** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ডার্বান ঘোষণাপত্রের স্মরণে উচ্চপদস্থ বৈঠক করবে, যেখানে ২০০১ সালের ডার্বান সম্মেলনের ১৫৩ পৃষ্ঠার নথি পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে।
  • 📌 **ঘোষণাপত্রে** বর্তমান বিশ্বের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে **রেসীয় বৈষম্য, জেনোফোবিয়া, ইন্দিজিনাস জনগোষ্ঠীর নির্যাতন, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য** এবং **স্বাধীনতা আন্দোলনগুলোর বিরুদ্ধে নির্যাতন**।
  • 📌 **ক্লোজ ৬৩** ঘোষণাপত্রে ফিলিস্তিনি জনগণের **"অপরিবর্তনীয় স্বায়ত্তশাসনের অধিকার"** এবং **"স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার"** স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, তবে **"ইসরায়েলের নিরাপত্তা"**র অধিকারও স্বীকৃত করা হয়েছে।
  • 📌 **২০০১ সালের সম্মেলনে** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অংশগ্রহণ থেকে বিরত ছিল, কারণ ঘোষণাপত্রে **"জিওনিজমকে রেসীয় বৈষম্যের সমতুল্য"** ঘোষণা করার প্রস্তাব ছিল, যা পরে প্রত্যাহার করা হয়।
  • 📌 **বৈঠকে** জাতিসংঘের **স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনিও গুতেরেস** ও **মানবাধিকার হাইকমিশনার ভোল্কার টার্ক** অংশগ্রহণ করবেন।
  • 📌 **ফিলিস্তিনি নির্যাতনের বিষয়ে** ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে: **"ফিলিস্তিনি জনগণের বৈদেশিক দখলদারির অধীনে অবস্থা"**।
  • 📌 **বৈঠক** নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হবে এবং **জীবন্ত সম্প্রচার** করা হবে।

📰 বিস্তারিত

২০০১ সালের ডার্বান সম্মেলনে অনুমোদিত ডার্বান ঘোষণাপত্র ও কর্মসূচি (ডিডিপিএ) ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত নির্যাতন ও বৈষম্য বিরোধী নথি। এই নথিতে **বৈশ্বিক নির্যাতন, জেনোফোবিয়া, ইন্দিজিনাস জনগোষ্ঠীর অধিকার, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য** এবং **বৈদেশিক দখলদারির বিরুদ্ধে** পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষত, নথিতে বলা হয়েছে যে **"বৈশ্বিক দাসপ্রথা ও দাসবাণিজ্য মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ"** এবং **"অপার্টহাইড ও গণহত্যা রেসীয় বৈষম্যের উৎস ও প্রকাশ"**।

ঘোষণাপত্রে **ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার** নিয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ক্লোজ ৬৩-এ বলা হয়েছে, **"ফিলিস্তিনি জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার অপরিবর্তনীয়"**। তবে, **"ইসরায়েলের নিরাপত্তা"**র অধিকারও স্বীকৃত করা হয়েছে। এই বিষয়ে ২০০১ সালের সম্মেলনে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা ছিল। তারা **"জিওনিজমকে রেসীয় বৈষম্যের সমতুল্য"** ঘোষণা করার বিরোধিতা করেছিল, যা পরে প্রত্যাহার করা হয়।

বৈঠকে **২০০১ সালের ডার্বান সম্মেলনের ২৫ বছর পর** বিশ্বের অবস্থা মূল্যায়ন করা হবে। জাতিসংঘের **মানবাধিকার হাইকমিশনার ভোল্কার টার্ক** বলেছেন, **"এই বৈঠকে বিশ্বব্যাপী নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে নতুন রাজনৈতিক ইচ্ছা জাগ্রত করার লক্ষ্যে"** আলোচনা হবে। বৈঠকে **ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার, অভিবাসন নীতি, ইন্দিজিনাস জনগোষ্ঠীর অধিকার** এবং **"রেসীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে"** পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে।

বৈঠকটি **নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে** অনুষ্ঠিত হবে এবং **জীবন্ত সম্প্রচার** করা হবে। এই বৈঠকে **জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, মানবাধিকার সংস্থা, গবেষক ও সাংবাদিক** অংশগ্রহণ করবেন।

"বৈশ্বিক দাসপ্রথা ও দাসবাণিজ্য মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং অপার্টহাইড ও গণহত্যা রেসীয় বৈষম্যের উৎস ও প্রকাশ"
"ফিলিস্তিনি জনগণের বৈদেশিক দখলদারির অধীনে অবস্থা"
"ফিলিস্তিনি জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার অপরিবর্তনীয়"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক, জাতিসংঘ সদর দফতর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, মানবাধিকার হাইকমিশনার ভোল্কার টার্ক, জাতিসংঘের সভাপতি অ্যান্টোনিও গুতেরেস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (বার্ষিকী), ১৫৩ পৃষ্ঠা (ঘোষণাপত্র), ৭৫০,০০০ (ফিলিস্তিনি নির্যাতিত), ক্লোজ ৬৩ ও ৬৫ (ঘোষণাপত্রের অংশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖