📌 ইউনাইটেড নেশন্সের স্বাধীন তদন্ত কমিশন ঘোষণা করেছে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মধ্যে ‘বিনাশ’ (extermination) সহ বিভিন্ন অপরাধ চালাচ্ছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অত্যাচার, ধর্ষণ ও জাতিগত নির্যাতন। ইসরায়েলের প্রতিনিধি দল তদন্তকে ‘বিরূপকরণ’ বলে মন্তব্য করেছে।
ইউনাইটেড নেশন্সের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন ঘোষণা করেছে যে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মধ্যে ‘বিনাশ’ (extermination) সহ বিভিন্ন অপরাধ চালাচ্ছে। এই তদন্ত কমিশন, যা ইউনাইটেড নেশন্সের মানবাধিকার পরিষদ কর্তৃক ২০২১ সালে গঠিত হয়েছিল, বলেছে ইসরায়েলের সরকার ও বাহিনী পশ্চিম তীরে নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং বসতিগত সহিংসতার মাধ্যমে নাগরিকদের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বব্যাপী ও পরিকল্পিত আক্রমণ’ চালাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউনাইটেড নেশন্সের তদন্ত কমিশন দাবি: ইসরায়েল পশ্চিম তীরে ‘বিনাশ’, অত্যাচার, ধর্ষণ ও জাতিগত নির্যাতনসহ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ চালাচ্ছে।
- 📌 তদন্তে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ ও বাহিনী পশ্চিম তীরের নাগরিকদের ‘সাম্প্রতিক হামাস আক্রমণের প্রতিশোধ’ হিসেবে ‘সামষ্টিক শাস্তি’ দিচ্ছে।
- 📌 ২০২৩ সালের অক্টোবর ৭ তারিখের হামাসের আক্রমণ থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর ৯ তারিখ পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ১,১৪৩ জন প্যালেস্টাইনির মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ২৫০ জন শিশু।
- 📌 ইসরায়েলের প্রতিনিধি দল তদন্তকে ‘ইসরায়েলের অস্তিত্বকে অপরাধী হিসেবে দেখানোর প্রচেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তদন্ত কমিশনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছে।
- 📌 তদন্ত কমিশনের চেয়ারপারসন নাভি পিল্লাই (Navi Pillay) ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং তিনি এই মাসে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ইউনাইটেড নেশন্সের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশন বলেছে, ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রম এবং বসতিগত সহিংসতা পশ্চিম তীরের নাগরিকদের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বব্যাপী ও পরিকল্পিত আক্রমণ’ গঠন করেছে।
তদন্তে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ ও বাহিনী পশ্চিম তীরে ‘বিনাশ’, অত্যাচার, ধর্ষণ ও জাতিগত নির্যাতনসহ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও, কমিশন উল্লেখ করেছে যে, ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরের নাগরিকদের ‘সাম্প্রতিক হামাসের আক্রমণের প্রতিশোধ’ হিসেবে ‘সামষ্টিক শাস্তি’ দিচ্ছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর ৭ তারিখের হামাসের আক্রমণ থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর ৯ তারিখ পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ১,১৪৩ জন প্যালেস্টাইনির মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ২৫০ জন শিশু। গাজা পটভূমিতে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান থেকে প্রায় সমগ্র গাজার জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুযায়ী, ৭৪,৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
তদন্ত কমিশনের চেয়ারপারসন নাভি পিল্লাই, যিনি দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চ আদালতের বিচারপতি ছিলেন, ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি এই মাসে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছেন।
"ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ ও বাহিনী পশ্চিম তীরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মধ্যে ‘বিনাশ’, অত্যাচার, ধর্ষণ ও জাতিগত নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ চালাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিম তীর (Occupied Palestinian Territory), ইসরায়েল, গাজা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাভি পিল্লাই (Navi Pillay), ইউনাইটেড নেশন্সের তদন্ত কমিশন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১,১৪৩ জন প্যালেস্টাইনি মৃত্যু (২৫০ জন শিশু), ৭৪,৫০০ জন গাজায় মৃত্যু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!