📌 যুক্তরাজ্যের সরকারি খাতে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্পৃক্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুই দশমিক এক ট্রিলিয়ন পাউন্ডের বেশি মূল্যের চুক্তি রয়েছে। জাতিসংঘ কর্তৃক চিহ্নিত এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি পরিষেবা থেকে শুরু করে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রেখেছে
যুক্তরাজ্যের সরকারি খাতে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্পৃক্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুই দশমিক এক ট্রিলিয়ন পাউন্ডের বেশি মূল্যের চুক্তি রয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। আল জাজিরার অনুসন্ধান অনুযায়ী, জাতিসংঘ কর্তৃক চিহ্নিত এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি পরিষেবা থেকে শুরু করে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবহন, জরুরি সেবা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সিংয়ের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।
🔴 মূল তথ্য
- 📌 যুক্তরাজ্যের সরকারি খাতে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্পৃক্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুই দশমিক এক ট্রিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তি রয়েছে
- 📌 জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর কর্তৃক চিহ্নিত পাঁচটি কর্পোরেট গ্রুপের মধ্যে রয়েছে মোটোরোলা সলিউশন্স, হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস, এজিস, সিএএফ এবং ফসান
- 📌 যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম অবৈধ ইসরায়েলি বসতির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন
- 📌 জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইসরায়েলের অবৈধ উপস্থিতিকে অবৈধ ঘোষণা করে
- 📌 যুক্তরাজ্যের সরকার অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নিজস্ব তদন্ত শুরু না করার কারণে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ঘটাতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে
📰 বিস্তারিত
আল জাজিরার অনুসন্ধান অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের সরকারি খাতে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্পৃক্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুই দশমিক এক ট্রিলিয়ন পাউন্ডের বেশি মূল্যের চুক্তি রয়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর কর্তৃক চিহ্নিত এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি পরিষেবা থেকে শুরু করে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবহন, জরুরি সেবা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সিংয়ের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।
মোটোরোলা সলিউশন্সের ব্রিটিশ সহায়ক প্রতিষ্ঠান এয়ারওয়েভ সলিউশন্সের মাধ্যমে এসব চুক্তির বেশিরভাগই সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস, এজিস, সিএএফ এবং ফসান গ্রুপের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোও যুক্তরাজ্যের সরকারি চুক্তির অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ইসরায়েলি সহায়ক প্রতিষ্ঠান অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি ভূমিতে একটি খনি পরিচালনা করছে। অন্যদিকে মোটোরোলা অবৈধ বসতির নিরাপত্তা অবকাঠামোয় জড়িত রয়েছে। এজিস এবং সিএএফ জেরুজালেমের সম্প্রসারিত ট্রাম নেটওয়ার্কে কাজ করছে, যা ফিলিস্তিনি এলাকাগুলোকে আরও খণ্ডিত করে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণকে শক্তিশালী করছে বলে কর্মীরা অভিযোগ করেছেন।
ফসান ইন্টারন্যাশনালের সহায়ক প্রতিষ্ঠান ব্রেস মেডিকেল যুক্তরাজ্যের সরকারি অর্থ পেয়েছে। একই গ্রুপের অধীনস্থ ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান আহাভা ডেড সি ল্যাবরেটরিজ অবৈধ বসতি মিতজপে শালেমে পরিচালিত হচ্ছে। ফিলিস্তিনি সংহতি আন্দোলন যুক্তরাজ্য আহাভাকে ফিলিস্তিনি ভূমি ও জীবিকা লুণ্ঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে।
অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সরকারি চুক্তির বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইসরায়েলের অবৈধ উপস্থিতিকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং অন্যান্য রাষ্ট্রকে ইসরায়েলের অবৈধ উপস্থিতি বজায় রাখতে সহায়তা না করার নির্দেশ দেয়।
"যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার লঙ্ঘন করছে বলে প্রমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ জাতিসংঘ কর্তৃক চিহ্নিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি অব্যাহত রয়েছে।"
"ফিলিস্তিনি ভূমি ও জীবিকা লুণ্ঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে আহাভা প্রতিষ্ঠানটি নিন্দিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই দশমিক এক ট্রিলিয়ন পাউন্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!