📌 তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী আলপারস্লান বাইরাকতার বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্ক জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য আলোচনা করেছেন
তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী আলপারস্লান বাইরাকতার বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের পক্ষ থেকে তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ সেপ্টেম্বর আঙ্কারায় বাংলাদেশ ও তুরস্কের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা হয়।
- 📌 তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী আলপারস্লান বাইরাকতার বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ সফর করার ইচ্ছা জানান।
- 📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক তুরস্কের মন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন এবং একটি প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) খসড়া হস্তান্তর করেন।
- 📌 বৈঠকে সৌর জ্বালানি, খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান, এলএনজি পরিবহন, এবং বাংলাদেশের অফশোর পাইপলাইন সংযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
- 📌 বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. শাহানুর আলম এবং কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আকরাম হোসাইন।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী আলপারস্লান বাইরাকতার বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করার সময় আন্তরিকভাবে সফর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সহযোগিতার কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের খসড়া হস্তান্তর করা হয়।
বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে সৌর জ্বালানি, খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান ও উন্নয়ন, এলএনজি পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো, এবং বাংলাদেশের অফশোর/দ্বীপাঞ্চলীয় স্থাপনা থেকে মূল ভূখণ্ডে পাইপলাইন সংযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা। তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী পরবর্তী সুযোগে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন।
"বৈঠকটি বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরির আগ্রহের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আঙ্কারা, তুরস্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলপারস্লান বাইরাকতার (তুরস্কের জ্বালানি মন্ত্রী), এম আমানুল হক (বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত), ড. শাহানুর আলম (ডেপুটি চিফ অব মিশন), আকরাম হোসাইন (কমার্শিয়াল কাউন্সেলর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!