📌 তিউনিসির রাজধানী তুনিসে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) চারজন গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা কর্মীর মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ হয়। তাদের মধ্যে একজন ৩৫ দিনের হাঙ্গার স্ট্রাইক করছেন এবং স্বাস্থ্য বিপদে পড়েছেন। সরকারের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও রাজনৈতিক দমনমূলক অভিযোগ উঠেছে
তিউনিসের রাজধানী তুনিসে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা কর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভকারীরা সড়ক দখল করে। এই বিক্ষোভে চারজন আন্দোলনকারীকে মুক্তি দিতে এবং তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা বন্ধ করতে দাবি করা হয়। তাদের মধ্যে একজন ৩৫ দিনের হাঙ্গার স্ট্রাইক করছেন এবং তার স্বাস্থ্য বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা তিউনিসিয়ান জাতীয় জার্নালিস্ট ইউনিয়ন (এসএনজেটি) থেকে কেন্দ্রীয় তুনিসের হাবিব বুর্গিবা অ্যাভিনিউ পর্যন্ত পথযাত্রা করেন। তারা তিউনিসিয়ান ও ফিলিস্তিনী পতাকা বহন করে এবং চারজন বন্দী কর্মীর ছবি নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩৫ দিনের হাঙ্গার স্ট্রাইককারী** ওয়েল নাউয়ারের স্বাস্থ্য বিপদগ্রস্ত — **২০ কেজি ওজন কমে গেছে**, **ময়ূরপাক ও হ্যালুসিনেশন** দেখা দিয়েছে।
- 📌 **চারজন কর্মীকে আরো চার মাসের জন্য** কারাগারে রাখার আদেশ দিয়েছে আদালত। তাদের **মার্চ মাসে** গ্রেফতার করা হয়।
- 📌 বিক্ষোভকারীরা **রাজনৈতিক দমনমূলক** অভিযোগ তুলে বলেছেন, “**নির্যাতন বন্ধ করুন, জনগণের অধিকার রক্ষা করুন**”।
- 📌 **গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা** কর্মীরা **ফিলিস্তিনের গাজা ব্লকেডের বিরুদ্ধে** মানবিক সাহায্য পরিবহনের প্রচার করতেন।
- 📌 **তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রপতি কাইস সায়েদ** ও তার সরকারকে **"জুদাইকৃত নীতির"** সমর্থক হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।
📰 বিস্তারিত
বিক্ষোভকারীরা আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, এই মামলা **সামাজিক ও রাজনৈতিক বিরোধীতা দমনের অংশ**। চারজন কর্মী ও তাদের প্রতিরক্ষা দল **অপরাধের দায় স্বীকার করেননি**। তাদের বিরুদ্ধে **ফ্লোটিলার জন্য অর্থ সংগ্রহে অর্থনৈতিক অপব্যবহারের** অভিযোগ রয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীরা মামলাটিকে **"অস্বাভাবিক"** বলে দাবি করেছেন এবং **"স্বাধীন জনগণের সমর্থনকে অপরাধী করার"** চেষ্টা বলে অভিযোগ করেছেন।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সদস্য ওয়েল নাউয়ার **১৬ আগস্ট** থেকে হাঙ্গার স্ট্রাইক শুরু করেন। তার সাথে **৯ সেপ্টেম্বর** আরো তিনজন কর্মী যোগ দেন। নাউয়ারের স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে **গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা কর্মীদের প্রতিরক্ষা কমিটির** সদস্য **ঘাসেন বুয়াজি** বলেন, “তিনি **৩৫ দিনের হাঙ্গার স্ট্রাইক** করছেন এবং তার স্বাস্থ্য **বিপদগ্রস্ত** হয়ে পড়েছে। তিনি **ময়ূরপাক, শ্বাসকষ্ট ও হ্যালুসিনেশন** অনুভব করছেন এবং **২০ কেজি ওজন কমে গেছে**।” তিনি আরও বলেন, **"রাষ্ট্রপতি কাইস সায়েদ ও তার সরকারের** রাজনৈতিক, আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে তাদের প্রতি।”
বুয়াজি দাবি করেন, **"এই মামলা স্বাধীন জনগণের সমর্থনকে অপরাধী করার** একটি প্রচেষ্টা”। তিনি বলেন, **"তিউনিসিয়ার বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন নয় এবং নির্বাহী শাখার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"** তিনি আরও উল্লেখ করেন, **"এই ধরনের অর্থনৈতিক অপরাধের অভিযোগ** পূর্বে রাজনৈতিক কর্মী, জার্নালিস্ট ও মানবাধিকার রক্ষাকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবহৃত হয়েছে।"
বিক্ষোভকারীরা **"জুদাইকৃত নীতির"** সমর্থক হিসেবে সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন। তারা **"আন্তর্জাতিক দমন"** এবং **"প্রতিরোধের বিরুদ্ধে নির্যাতন"**ের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিল **"নিরভয়, নিরতঙ্ক, সড়ক জনগণের"** এবং **"রাষ্ট্রপতির নির্যাতন বন্ধ করুন, জনগণের দমন বন্ধ করুন"**।
"আমাদের গল্প জুদাইকৃত নীতির গল্প, তোমরা আন্তর্জাতিক দমনের এজেন্ট"
তিউনিসিয়ার **সাবেক জেনারেল স্টুডেন্ট ইউনিয়ন (ইউজেট) সদস্য** এবং বিভিন্ন প্রজন্মের শিক্ষার্থী কর্মী **দ্বিতীয় দিবসের** একটি বিবৃতি জারি করে চারজন কর্মীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, **"রাষ্ট্রপতি কাইস সায়েদ ও তার সরকারের** দায়িত্ব রয়েছে এই হাঙ্গার স্ট্রাইককারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।"** তারা শিক্ষার্থী, ট্রেড ইউনিয়ন, মানবাধিকার ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলিকে **"এই কর্মীদের মুক্তির জন্য আন্দোলনে যোগ দিতে"** আহ্বান জানিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তুনিস, তিউনিসিয়া (হাবিব বুর্গিবা অ্যাভিনিউ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়েল নাউয়ার, ঘাসেন বুয়াজি, ঘাসেন হেনচিরি, নাবিল চান্নুফি, কাইস সায়েদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ দিন (হাঙ্গার স্ট্রাইক), ২০ কেজি (ওজন কমে গেছে), ৪৪ পাউন্ড (ওজন), ৪ মাস (কারাগারে রাখার আদেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!