📌 ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি পারফর্মিং আর্টস সেন্টার ব্যাঙ্ক্রাপসির হাত থেকে বাঁচতে চায় ট্রাম্পের নামের ব্যবহার। ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ট্রাস্টি বোর্ড জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ‘অনিবার্য অর্থনৈতিক ধ্বংস’ থেকে বাঁচতে পারছে না। কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন এবং বন্ধের সম্ভাবনা রয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসির জন ফ কেনেডি পারফর্মিং আর্টস সেন্টার (কেনেডি সেন্টার) ব্যাঙ্ক্রাপসির হাত থেকে বাঁচতে ট্রাম্পের নামের ব্যবহার চায়। মার্কিন সংবাদপত্র দ্য ওয়াশিংটন পোস্টর রিপোর্টে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ড — যার সভাপতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প — জানিয়েছে, কেনেডি সেন্টারের ভবনের সামনে ট্রাম্পের নাম লেখা হলে প্রতিষ্ঠানটি ‘অনিবার্য অর্থনৈতিক ধ্বংস’ থেকে বাঁচতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেনেডি সেন্টারর ট্রাস্টি বোর্ডের ৫৭ পৃষ্ঠার রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি এখনই বন্ধ করতে হবে — কারণ মজুরি দিতে বা রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করতে পারছে না।
- 📌 ট্রাম্পের নামের ব্যবহারের বিনিময়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে অর্থ সাহায্য দেবেন — কিন্তু শর্তে তার নামের স্বীকৃতি।
- 📌 কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ করার প্রস্তাব আগে বাতিল হয়েছিল আদালতে।
- 📌 কেনেডি সেন্টারের এই অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে ‘পূর্ববর্তী নেতৃত্বের অর্থনৈতিক অপারগতা’ দায়ী বলে দাবি করা হয়েছে।
- 📌 এই বছরের অর্থবছরে কেনেডি সেন্টার ২২০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের মধ্যে মাত্র ১২৪ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে — যা ২৩ মিলিয়ন ডলার ঘাটতি তৈরি করেছে।
- 📌 ট্রাম্পের নেতৃত্বে কেনেডি সেন্টার ‘অর্থনৈতিক অস্থিরতা, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং মামলার’ মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে — যা ‘কেনেডি সেন্টারের একটি নতুন পর্যায়’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কেনেডি সেন্টারের ট্রাস্টি বোর্ডের একটি বিশেষ সভায় (দ্বিতীয়শে রবিবার) দুটি প্রধান বিষয় আলোচিত হবে — অর্থনৈতিক সংকট এবং ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি এখনই বন্ধ করতে হবে, কারণ মজুরি দিতে বা ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করতে পারছে না।
কেনেডি সেন্টারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নামে নামকরণ করা হয়েছিল, যিনি ১৯৬৩ সালে গৃহযুদ্ধের অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ট্রাম্প ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরই তিনি নিজেকে কেনেডি সেন্টারের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। ডিসেম্বর মাসে তার মনোনীত ট্রাস্টি বোর্ড কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ করার প্রস্তাব করেছিল, কিন্তু আদালতে এই প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।
ট্রাম্পের নেতৃত্বে কেনেডি সেন্টার ‘অর্থনৈতিক অস্থিরতা, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং মামলার’ মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে। ট্রাম্পের নামের ব্যবহারের বিনিময়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে অর্থ সাহায্য দেবেন — কিন্তু শর্তে তার নামের স্বীকৃতি। ট্রাস্টি বোর্ডের রিপোর্টে বলা হয়েছে, “ট্রাম্পের নামের ব্যবহার কেনেডি সেন্টারকে ‘অনিবার্য অর্থনৈতিক ধ্বংস’ থেকে বাঁচাতে পারে”।
কেনেডি সেন্টারের অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে ‘পূর্ববর্তী নেতৃত্বের অর্থনৈতিক অপারগতা’ দায়ী বলে দাবি করা হয়েছে। ট্রাম্পের নামের ব্যবহার নতুন দাতাদের আকর্ষণ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে, কেনেডি সেন্টারের এই অবস্থা কীভাবে উন্নত হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
"এটি ট্রাম্পের কেনেডি সেন্টারের ‘নতুন পর্যায়’, যা অর্থনৈতিক অস্থিরতা, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং মামলার’ মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে — যেটি তিনি ২০২৫ সালে সভাপতি হওয়ার পর থেকে শুরু হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), জন ফ কেনেডি (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭ পৃষ্ঠা রিপোর্ট, ২২০ মিলিয়ন ডলার বাজেট, ১২৪ মিলিয়ন ডলার আয়, ২৩ মিলিয়ন ডলার ঘাটতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!