📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের দায় অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এই সংঘাত শুরু করিনি’। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন এবং শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা উত্থাপন করেছেন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের দায় অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ‘আমরা এই সংঘাত শুরু করিনি’। নভেম্বরের ৩ তারিখে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের চিলিকোথে এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদনের অবস্থা বিশ্লেষণ করেছেন এবং শান্তি আলোচনার প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের দায় অস্বীকার করে বলেছেন, ‘আমরা এই সংঘাত শুরু করিনি’।
- 📌 ইরানের হাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় তাদের ক্ষমতা কমে গেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
- 📌 ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ীকে চিঠি পাঠিয়েছেন।
- 📌 ইরানের কট্টরপন্থী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করলে আরও ভালো কূটনৈতিক ফল পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা।
- 📌 গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই সময় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের দায় অস্বীকার করে বলেছেন, ‘আমরা এই সংঘাত শুরু করিনি’। তিনি নভেম্বরের ৩ তারিখে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের চিলিকোথে এক নির্বাচনী সমাবেশে এ কথা বলেন। ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি ইরানের হামলার ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের হাতে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তবে সেগুলোর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ইরানের ড্রোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও সংকটে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এসব প্রতিষ্ঠান এখন আর বিদ্যুৎ পাচ্ছে না।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি এখানে আসার অনেক আগেই এই সংঘাতের নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল’। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা জানিয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই সময় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। আলোচনার মধ্যে ইরানে হামলার ঘটনা এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ঘটেছে। এর আগে গত বছরও আলোচনা চলাকালে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু করার হুমকি দিচ্ছেন ট্রাম্প। এমন পরিস্থিতিতেও শান্তি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে ইরানের অন্যতম ক্ষমতাধর কট্টরপন্থী নেতা মোহসেন রেজায়ীকে চিঠি পাঠিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এবং এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের নির্দেশেই চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। ভ্যান্স যাচাই করে দেখছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এমন কোনো বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব কি না, যা ট্রাম্পকে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে স্বল্পস্থায়ী কিন্তু তীব্র হামলা চালানোর চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করছেন, ইরানের কট্টরপন্থী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করলে আরও ভালো কূটনৈতিক ফল পাওয়া যেতে পারে। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানি শাসকগোষ্ঠীর নেতাদের হত্যা করার পর তেহরানে এসব কট্টরপন্থী নেতা আরও বেশি ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছেন।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, তাঁর প্রশাসন ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছে না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, শিগগিরই হামলা চালানো হতে পারে। সে সময় তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি না। যেকোনোভাবে একটা কিছু ঘটবেই, আর সেটা শিগগিরই ঘটবে’।
"আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি। ইরানের হাতে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তবে সেগুলোর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ইরানের ড্রোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও সংকটে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান এখন আর বিদ্যুৎ পাচ্ছে না।" — ডোনাল্ড ট্রাম্প
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওহাইও (যুক্তরাষ্ট্র), চিলিকোথে (মার্কিন নির্বাচনী সমাবেশ), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), তেহরান (ইরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেডি ভ্যান্স, মোহসেন রেজায়ী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নভেম্বর (নির্বাচন তারিখ), ২৮ ফেব্রুয়ারি (যুদ্ধ শুরু তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!