📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দখলদার’ অবস্থানকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীতে রেকর্ড পরিমাণ তেল সরবরাহের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। ইরান এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দখলদার’ অবস্থানকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ফ্লোরিডার একটি নাসা স্থাপনায় ভাষণ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই কৌশলগত পানিপথ দিয়ে রেকর্ড পরিমাণ তেল সরবরাহ করছে। তিনি ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সাথে তুলনা করে বলেন, ‘একেই বলে যুদ্ধ’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দখলদার’ অবস্থানকে ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং বলেন, ‘আমরা দখলদার হতে পারি’।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং এখানে রেকর্ড পরিমাণ তেল উত্তোলন করা হচ্ছে।
- 📌 কেশম দ্বীপের কাছে ইরানের একটি বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনায় মার্কিন হামলা চালানো হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ‘ছোটখাটো’ বলে বর্ণনা করেছে।
- 📌 ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে।
- 📌 ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ২৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, কিন্তু ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে ‘কেউ আহতই হয়নি’।
📰 বিস্তারিত
ফ্লোরিডার একটি নাসা স্থাপনায় ভাষণ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে সতর্কতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে চলমান সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে দেখতে পারেনা, কারণ এতে ‘কেউ আহতই হয়নি’। তবে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দখলদার’ অবস্থানকে ইঙ্গিত দেন এবং বলেন, ‘আমরা দখলদার হতে পারি’।
ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দাবি করেন, ‘আমরা হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করছি। হরমুজ প্রণালীর ইতিহাসে এখন আমরা সবচেয়ে বেশি পরিমাণ তেল উত্তোলন করছি’। তিনি ইরানের কেশম দ্বীপের কাছে সামরিক হামলার কথা স্বীকার করেন এবং বলেন, ‘আমরা ছোটখাটো কিছু হামলা চালিয়েছি’। তিনি জানান, ইরানি বাহিনী একটি বিমান বিধ্বংসী স্থাপনা তৈরি করেছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ধ্বংস করে দিয়েছে।
ইরান এই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পানিপথটি খুলে দেবে না। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি। এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও, জুন মাসে শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।
"আমরা হয়তো কেবল একটি দখলদার শক্তি। আমরা দখলদার হতে পারি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্লোরিডা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), হরমুজ প্রণালী, কেশম দ্বীপ (ইরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার (রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত), ৬ নভেম্বর (ভাষণ তারিখ), ২৮ ফেব্রুয়ারি (সংঘাতের শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!