📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আমন মৌসুমে ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহে বাড়ানো সংগ্রহমূল্য: সরকারের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আফরোজা খানম আফরোজা খানম
আমন মৌসুমে ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহে বাড়ানো সংগ্রহমূল্য: সরকারের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি আমন মৌসুমে সরকার ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান, ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহমূল্য বাড়িয়ে ৩৫ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা করা হয়েছে

চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান ও চালের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান, পাঁচ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি জানান, কৃষকদের উৎপাদন খরচ এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংগ্রহমূল্য বাড়ানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা — এর মধ্যে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান, ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল
  • 📌 প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহমূল্য বাড়িয়ে ৩৫ টাকা, সিদ্ধ চালের ৪৯ টাকা এবং আতপ চালের ৪৮ টাকা করা হয়েছে
  • 📌 ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে আমন ধান সংগ্রহ, যা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত; চাল সংগ্রহ ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে
  • 📌 সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান বিক্রি করতে চাইলে কৃষককে তা কিনতে হবে — কোনো কৃষককে ফেরত দেওয়া যাবে না

📰 বিস্তারিত

রোববার (৮ নভেম্বর) ঢাকার তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কৃষকের উৎপাদন খরচের সঙ্গে ন্যায্য লভ্যাংশ যুক্ত করে ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনোভাবেই কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’

সরকারি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণ ধান বিক্রি করতে চাইলে কৃষককে তা কিনতে হবে। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রার অজুহাতে কোনো কৃষককে ধান বিক্রি না করে ফেরত দেওয়া যাবে না। কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে এলে তার কাছ থেকে ধান কিনতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে ১৪ নভেম্বর এবং চলবে ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অন্যদিকে, চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১ ডিসেম্বর এবং এই কার্যক্রমও ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

"কৃষকের উৎপাদন খরচের সঙ্গে ন্যায্য লভ্যাংশ যুক্ত করেই ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনোভাবেই যেন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী এমপি, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খান, খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের মহাপরিচালক মো. মাহাবুব রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান, ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল, ৩৫ টাকা/কেজি ধান, ৪৯ টাকা/কেজি সিদ্ধ চাল, ৪৮ টাকা/কেজি আতপ চাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖