📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয়ের জন্য নিজের ব্যালটে নাম না থাকাকে দায়ী করেছেন। তিনি ভোটারদের ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ করেছেন এবং ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে ডেমোক্র্যাটদের সাথে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবির জন্য নিজের ব্যালটে নাম না থাকাকে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার পাশাপাশি ডেমোক্র্যাটদের সাথে কাজ করার প্রস্তুতি জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যালটে নাম না থাকায় রিপাবলিকানদের পরাজয়: ট্রাম্প বলেন, ‘আমি নির্বাচনী ব্যালটে ছিলাম না, তাই ভোটারদের যথেষ্ট সংখ্যককে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে পারিনি’।
- 📌 ডেমোক্র্যাটদের সাথে আলোচনার আহ্বান: তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় থাকব। সম্ভবত কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারব’।
- 📌 ব্যালটে নাম না থাকা সিনেটরদের সমর্থন: দক্ষিণ ক্যারোলাইনার ডারলিন গ্রাহাম ও টেক্সাসের কেন প্যাক্সটন সিনেট নির্বাচনে পরাজিত হওয়ায় তিনি বিস্মিত হলেও তাদের সমর্থন নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই।
- 📌 ইরান যুদ্ধ সিদ্ধান্তের পক্ষে: ট্রাম্প স্বীকার করেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ভোটারদের অসন্তুষ্টির কারণ হলেও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্তে তিনি কোনো অনুশোচনা করেননি।
- 📌 ভেটো ক্ষমতা ব্যবহারের হুমকি: তিনি বলেন, ‘আমার হাতে ভেটো দেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। সুতরাং তাদের আমাদের কাছে আসতে হবে’।
- 📌 হোয়াইট হাউসে বিষণ্ন পরিবেশ: নির্বাচনের ফলাফল দেখার সময় হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে উপস্থিত ছিলেন জেডি ভ্যান্স, মার্কো রুবিও, টড ব্লাঞ্চে ও হাওয়ার্ড লুটনিকসহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা।
📰 বিস্তারিত
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয়ের জন্য নিজের ব্যালটে নাম না থাকাকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি নির্বাচনী ব্যালটে ছিলাম না। আর আমি ব্যালটে না থাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক মানুষকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে পারিনি’। ট্রাম্পের এই কথা রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয়ের কারণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
ব্যালটে নিজের নাম না থাকায় রিপাবলিকানদের পরাজয় সত্ত্বেও ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের সাথে কাজ করার প্রস্তুতি দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় থাকব। সম্ভবত আমরা কোনো একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারব’। তবে তিনি ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে কোনো নাম প্রকাশ করেননি।
ব্যালটে নাম না থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প দক্ষিণ ক্যারোলাইনার রিপাবলিকান সিনেটর ডারলিন গ্রাহাম ও টেক্সাসের রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের পরাজয়ের খবর শুনে বিস্মিত হলেও তাদের সমর্থন নিয়ে কোনো অনুশোচনা করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি দেখছি, ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য! লিন্ডসে গ্রাহাম যদি নির্বাচনে দাঁড়াতেন, তাহলে তাঁর ফলাফল কেমন হতো বলে মনে করেন?’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো অনুশোচনা করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, যেকোনো প্রেসিডেন্টের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে সফল দুই বছর’। তবে তিনি স্বীকার করেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ভোটারদের অসন্তুষ্টির কারণ হয়েছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বলেন, ‘ইরানের বিষয়টি নিয়ে তাদের আপত্তি নেই। তবে ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার একেবারেই কোনো অনুশোচনা নেই। দেশের ভবিষ্যৎ এবং পুরো বিশ্বের স্বার্থে এটি ছিল অত্যন্ত বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত’।
হোয়াইট হাউসে নির্বাচনের ফলাফল দেখার সময় ট্রাম্পের ক্ষোভ প্রকাশ পায়। তিনি নির্বাচনের আগে জনমত জরিপের বিষয়ে তাঁকে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ করেন। তবে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট তাঁর উপদেষ্টাদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন, এমন ধারণা সঠিক নয়।
"আমি নির্বাচনী ব্যালটে ছিলাম না। আর আমি ব্যালটে না থাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক মানুষকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে পারিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (হোয়াইট হাউস, নিউইয়র্ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০:০০ (টার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!