📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজার শান্তি পর্ষদে ব্লেয়ার: ফিলিস্তিনি পাঠ্যবই থেকে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দ বাদ দিতে চাপ সৃষ্টি

গাজার শান্তি পর্ষদে ব্লেয়ার: ফিলিস্তিনি পাঠ্যবই থেকে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দ বাদ দিতে চাপ সৃষ্টি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি পর্ষদ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে চাপ দিচ্ছে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দটি পাঠ্যবই থেকে বাদ দিতে। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এই দাবি তুলেছেন, যা ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাস সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন

যুক্তরাষ্ট্রের গাজার শান্তি পর্ষদ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে চাপ দিচ্ছে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দটি পাঠ্যবই থেকে বাদ দিতে। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এই দাবি তুলেছেন, যা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। মিডল ইস্ট আই (এমইই) সূত্রে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি পর্ষদ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দটি পাঠ্যবই থেকে বাদ দিতে চাপ দিচ্ছে, পরিবর্তে ‘সামারিয়া’ নাম ব্যবহার করার দাবি তুলেছে
  • 📌 সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এই দাবি তুলেছেন, যিনি গাজার যুদ্ধোত্তর ব্যবস্থাপনার তদারকি করছেন
  • 📌 ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন এই দাবি, বলেছেন তিনি ‘ফিলিস্তিন’ শব্দটি মুছে ফেলবেন না
  • 📌 যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত জেরেমি গ্রিনস্টক বলেছেন, ব্লেয়ারের এই পদক্ষেপ ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘অবাস্তব’
  • 📌 ব্লেয়ারের মুখপাত্র দাবি অস্বীকার করেছেন, বলেছেন এটি ‘পুরোপুরি অসত্য’

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ (শান্তি পর্ষদ) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে চাপ দিচ্ছে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দটি পাঠ্যবই থেকে বাদ দিতে। এই দাবি তুলেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, যিনি বর্তমানে শান্তি পর্ষদের সদস্য হিসেবে গাজার যুদ্ধোত্তর ব্যবস্থাপনার তদারকি করছেন। ব্লেয়ার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, যদি তারা ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আগ্রহী হয়, তবে পাঠ্যবই থেকে ‘ফিলিস্তিন’ শব্দটি মুছে ফেলা উচিত। তিনি ইহুদিদের দেওয়া নাম ‘সামারিয়া’ ব্যবহার করার দাবি তুলেছেন।

যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত জেরেমি গ্রিনস্টক মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, ব্লেয়ার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এমন কাজ কিছুতেই করবেন না’। গ্রিনস্টক বলেন, ‘শান্তি পর্ষদ ফিলিস্তিনের শিক্ষাক্রম নিয়ে এমন দাবি তুলতে পেরেছে—এটি ভেবেই আমি বিস্মিত। কোন নীতিতে তারা কাজ করছে? ন্যায়বিচার, সততা কিংবা এ সংকটের ইতিহাস সম্পর্কে তাদের আদৌ কোনো ধারণা আছে কি না, তা নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে’।

ব্লেয়ারের মুখপাত্র দাবি অস্বীকার করেছেন, বলেছেন, ‘এটি পুরোপুরি অসত্য এবং সম্পূর্ণ বানোয়াট একটি কথা’। গ্রিনস্টক জানান, গত আগস্টের মাঝামাঝি ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও গাজাবিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলে ম্লাদেনভকে সঙ্গে নিয়ে ইসরায়েল সফর করেন টনি ব্লেয়ার। সেখানে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলটি কায়রো যায়, যেখানে তারা ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট দলের পাশাপাশি হামাসের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে।

"ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এ অন্যায্য দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।"

গ্রিনস্টক ইরাক যুদ্ধে ব্লেয়ারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরাকে হামলার আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে জাতিসংঘের অনুমোদন নেওয়ার ব্যাপারে রাজি করান ব্লেয়ার। তবে বর্তমান সময়ে ব্লেয়ারের ভূমিকা নিয়ে তিনি কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘ইরাক যুদ্ধ এবং যুক্তরাজ্যে সরকারি ক্ষমতা ছাড়ার পর ফিলিস্তিন প্রশ্নে ব্লেয়ারের কর্মকাণ্ডের কারণে সবাই তাঁকে পক্ষপাতদুষ্ট ভাববেন’। গ্রিনস্টক বোর্ড অব পিসকে ‘অবাস্তব ও খামখেয়ালি কমিটি’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেসব কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সেই গুরুভার বহন করার মতো মজবুত ভিত্তি এ শান্তি পর্ষদের নেই’।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা, ফিলিস্তিন; রামাল্লা; ইসরায়েল; কায়রো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টনি ব্লেয়ার, মাহমুদ আব্বাস, জেরেমি গ্রিনস্টক, জ্যারেড কুশনার, নিকোলে ম্লাদেনভ, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর ২০২৩ (গাজা যুদ্ধ শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖