📌 থাইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন পুলিশ ১০ হাজার অবৈধ অবস্থানকারীর সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে। বাংলাদেশিরাও ঝুঁকিতে থাকছে, কারণ গত বছরে অবৈধ অবস্থানের অভিযোগে ২৭ বাংলাদেশী গ্রেফতার হয়েছেন। নতুন নিয়মে কারাদণ্ড শেষে দ্রুত নির্বাসন করা হবে।
থাইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন পুলিশ ১০ হাজার অবৈধ অবস্থানকারীর সন্ধানে জোরালো অভিযান চালাচ্ছে। এই অভিযানের আওতায় রয়েছে রাজধানী ব্যাংকক, পর্যটন কেন্দ্র এবং সীমান্তবর্তী প্রদেশসমূহ। বাংলাদেশিরাও ঝুঁকিতে পড়েছেন, কারণ গত বছরে অবৈধ অবস্থানের অভিযোগে ২৭ জন বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নতুন নিয়মে কারাদণ্ড শেষে দ্রুত নির্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 থাইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন পুলিশ ১০ হাজার অবৈধ অবস্থানকারীর সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে, যার মধ্যে বাংলাদেশিরাও ঝুঁকিতে পড়েছেন
- 📌 গত ১৯ অক্টোবর ব্যাংককে অভিযানে ৮ জন দক্ষিণ কোরীয় ও ২ জন চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়, তাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে
- 📌 ৫৪ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়, যিনি ৬ বছরের বেশি সময় থাইল্যান্ডে অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন
- 📌 থাইল্যান্ডে বর্তমানে ১২৭ জন বাংলাদেশী কারাগারে বন্দি রয়েছে, আর আনুমানিক ৫ হাজার বাংলাদেশী বৈধভাবে দেশটিতে রয়েছেন
- 📌 ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ৮১ হাজার বিদেশীকে থাইল্যান্ডে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে
- 📌 মাদকবিরোধী অভিযানে ১.৮ টন ক্রিস্টাল মেথ এবং ১ কোটি ৮০ লাখ মেথ ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
থাইল্যান্ডের ইমিগ্রেশন ব্যুরোর প্রধান পুলিশ লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোপাসিন পুলসাওয়াত গত ১৯ অক্টোবর ব্যাংককে অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এই অভিযানে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশের সহযোগিতায় ৮ জন দক্ষিণ কোরীয় ও ২ জন চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংককে ৫৪ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। তিনি থাইল্যান্ডে অবস্থানের অনুমোদিত মেয়াদ ২ হাজার ৯৫ দিন অতিক্রম করেছেন, যা প্রায় ছয় বছরের সমান। অভিবাসন আইন লঙ্ঘন ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত বিদেশীদের বহিষ্কারপ্রক্রিয়াও কঠোর করেছে থাইল্যান্ড। নতুন ব্যবস্থায় ফৌজদারি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিদেশীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা আরো দ্রুত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দেশজুড়ে চলমান অভিযানে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাসার ঠিকানা, কর্মস্থল এবং তাদের নিয়মিত যাতায়াতের স্থানগুলোয় তল্লাশি ও যাচাই করবেন। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জরিমানা, আটক, বহিষ্কার এবং ভবিষ্যতে থাইল্যান্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, থাইল্যান্ডের কারাগারে বর্তমানে ১২৭ জন বাংলাদেশী বন্দি রয়েছেন। এর আগে ৮ এপ্রিল সংখলা প্রদেশের চানার একটি রিসোর্ট থেকে ২১ জন বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করা হয়। আরো ২৫ মে সীমান্ত এলাকায় ছয় জন বাংলাদেশী আটক হন।
"দেশজুড়ে অভিযানে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাসার ঠিকানা, কর্মস্থল এবং তাদের নিয়মিত যাতায়াতের স্থানগুলোয় তল্লাশি ও যাচাই করবেন। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জরিমানা, আটক, বহিষ্কার এবং ভবিষ্যতে থাইল্যান্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: থাইল্যান্ড (ব্যাংকক, সংখলা প্রদেশ, সীমান্ত এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোপাসিন পুলসাওয়াত, ইসরায়েলি নাগরিক (৫৪ বছর), বাংলাদেশী নাগরিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার (অবৈধ অবস্থানকারী), ১২৭ (বাংলাদেশী কারাগারে বন্দি), ২১ (গ্রেফতার বাংলাদেশী), ৫ হাজার (বৈধ বাংলাদেশী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!