📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরিয়ার প্রাক্তন শাসক কর্মকর্তা ৬০ বছর কারাদণ্ড: মার্কিন আদালতে নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত

সিরিয়ার প্রাক্তন শাসক কর্মকর্তা ৬০ বছর কারাদণ্ড: মার্কিন আদালতে নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে সিরিয়ার প্রাক্তন শাসক কর্মকর্তা সামির ওসমান আলশাইখকে নির্যাতনের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি ২০০৫-২০০৮ সালের মধ্যে সিরিয়ার বিখ্যাত আদ্রা কারাগারে নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে একটি ফেডারেল আদালত সিরিয়ার প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা সামির ওসমান আলশাইখকে নির্যাতনের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড প্রদান করেছে। বিচারপতি হের্নান ডি ভেরা শুক্রবার আদালতের বেঞ্চে এই সাজা ঘোষণা করেন। মার্চ মাসে একটি জুরি তাকে একটিতে সাজা-কনস্পিরেসি এবং তিনটি নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। আলশাইখ সিরিয়ার বিখ্যাত আদ্রা কারাগারের অধিনায়ক ছিলেন, যেখানে ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৬০ বছর কারাদণ্ড**: সিরিয়ার প্রাক্তন শাসক কর্মকর্তা সামির ওসমান আলশাইখকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস আদালতে নির্যাতনের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 **৩টি নির্যাতন দায়**: তিনি ২০০৫-২০০৮ সালের মধ্যে আদ্রা কারাগারে নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন, যেখানে তিনি রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্যাতন করতেন।
  • 📌 **বিচারপতির মন্তব্য**: বিচারপতি বলেন, ‘এই কর্মকাণ্ড ছিল অমানবিক, অমনোযোগী এবং অপরিহার্যভাবে নিষ্ঠুর ও নির্যাতনমূলক’।
  • 📌 **বিকৃতির অভিযোগ**: মার্কিন সরকারের অভিযোগ, আলশাইখ মার্কিন নাগরিকত্বের আবেদনকালে তার অতীত সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলেন এবং সবুজ কার্ড ও নাগরিকত্ব অর্জনের জন্য ধোঁকা দিয়েছিলেন।
  • 📌 **ব্রেকিং নিউজ**: সিরিয়ার বর্তমান সরকারের সাথে আলশাইখের হস্তান্তর প্রস্তাব করা হলেও তার আইনজীবীরা মাত্র ৫ বছর কারাদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে সিরিয়ার প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা সামির ওসমান আলশাইখের বিরুদ্ধে নির্যাতনের দায়ে বিচার চলছিল। বিচার চলাকালে তিনজন শিকার ব্যক্তি তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে একজন বলেছিলেন, তিনি কোন পাইপ থেকে ঘণ্টা বা দিন ধরে ঝুলিয়ে নির্যাতিত হয়েছিলেন। অন্যরা বলেছিলেন, তাদের শরীরকে কাঁধের নিচে বাঁকিয়ে একটি যন্ত্রের মাধ্যমে নির্যাতন করা হত। একজন শিকার ব্যক্তি নিদাল শিখানি বলেছিলেন, তিনি এখনও অন্যদের কষ্টের কেঁদে শুনতে পারেন, যারা বলত ‘মুখ ফিরিয়ে দাও, আমাকে ছেড়ে দাও’।

মার্কিন সরকারের অভিযোগে, আলশাইখ রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্যাতনের জন্য আদ্রা কারাগারের একটি বিশেষ কক্ষে পাঠাতেন। তিনি জানতেন যে তার কাজ ভুল, কিন্তু তিনি নিজের ক্ষমতা ও অপরাধমুক্ত থাকার আশায় এই নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। মার্কিন সরকারের আইনজীবীরা বিচারপতিকে ৮০ বছরের সর্বনিম্ন কারাদণ্ডের দাবি জানিয়েছিলেন, কিন্তু আলশাইখের আইনজীবীরা তার বয়স ও স্বাস্থ্যের কারণে মাত্র ৫ বছরের দাবি জানিয়েছিলেন।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আলশাইখের গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু মার্কিন সরকারের অভিযোগ, তিনি তার অতীত সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিলেন। ফেডারেল বাইরন অফিসের সহ-পরিচালক হিথ জ্যান্কে বলেছেন, ‘আলশাইখের আদেশ ও সরাসরি অংশগ্রহণ করা নির্যাতন ছিল নিষ্ঠুর ও ভয়াবহ। আমরা শিকারদের সাহসিকতার জন্য ধন্যবাদ জানাই, যারা এই বিচারের দিকে পরিচালিত করেছেন’।

"আদেশদাতা জানতেন যে তার কাজ ভুল, কিন্তু তিনি নিজের ক্ষমতা ও অপরাধমুক্ত থাকার আশায় এই নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লস অ্যাঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সামির ওসমান আলশাইখ, বিচারপতি হের্নান ডি ভেরা, নিদাল শিখানি, হিথ জ্যান্কে, আইনজীবী নিনা মারিনো ও কলিন কেট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর কারাদণ্ড, ৮০ বছরের সর্বনিম্ন দাবি, ৫ বছরের দাবি, ৭৪ বছর বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖