📌 সুদানের জ্বালানি সংকটে মিনিবাস চালক আজহার মোহাম্মদ ও পরিষ্কারক আজিজা ইব্রাহিমের জীবিকা বিপন্ন। দাম বেড়ে যাওয়া ও জ্বালানি অপারগতার কারণে তাদের দৈনিক খরচে ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে। সংঘাতের কারণে দেশের অর্থনীতিতে ২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে
সুদানের জ্বালানি সংকটে দৈনন্দিন জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে শ্রমিকদের। মিনিবাস চালক আজহার মোহাম্মদ (৬০) ও পরিষ্কারক আজিজা ইব্রাহিম (৩৮) তাদের জীবিকা হারাচ্ছেন জ্বালানি দামের বেড়ে যাওয়া ও সংকটের কারণে। দীর্ঘ কাতারে দাঁড়াতে হয় জ্বালানি পেতে, যা তাদের কাজের সময় নষ্ট করে দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মিনিবাস চালক আজহার মোহাম্মদ** (৬০) দৈনিক ৭ বার (৬ টা বাজে থেকে ৯ টা বাজে পর্যন্ত) পোর্ট সুদান থেকে খার্তুম সিটি সেন্টারে যাতায়াত করলেও জ্বালানি সংকটে তার জীবিকা বিপন্ন।
- 📌 **জ্বালানি দাম বেড়ে গেছে ১০ গুণ**— গাজিরা স্টেটে গ্যালন জ্বালানি ৪০,০০০ সুদানি পাউন্ড (প্রায় ৪.৩০ ডলার), পোর্ট সুদানে ৩৫,০০০ পাউন্ড (৩.৮০ ডলার)।
- 📌 **কাতারে দাঁড়াতে হয় ৫ ঘণ্টা**— আজহার মোহাম্মদ বলেন, জ্বালানি পেতে দীর্ঘ কাতারে দাঁড়াতে হয়, যা তার কাজের সময় নষ্ট করে দিচ্ছে।
- 📌 **জীবিকা হাতছাড়া**— তার দৈনিক আয় থেকে ৫০,০০০ পাউন্ড (৫.৪০ ডলার) বাকি থাকে, যা পরিবারের খরচ পূরণে যথেষ্ট নয়।
- 📌 **পরিষ্কারক আজিজা ইব্রাহিম** (৩৮) তার ৪০০,০০০ পাউন্ড (৪৩ ডলার) মাসিক বেতনের অর্ধেক খরচ হচ্ছে পরিবহনে।
- 📌 **সুদানের অর্থনীতিতে ২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি**— সংঘাতের কারণে দেশের তেল খাতের ক্ষতি হয়েছে।
- 📌 **বাস ফেরি বেড়েছে ৪০%**— সরকারি কর্তৃপক্ষ বাস ফেরি ৪০% ও মিনিবাস ফেরি ৩০% বেড়িয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পোর্ট সুদানের শাগার এলাকার মিনিবাস চালক আজহার মোহাম্মদ দৈনিক ৭ বার (৬ টা বাজে থেকে ৯ টা বাজে পর্যন্ত) পোর্ট সুদান থেকে খার্তুম সিটি সেন্টারে যাতায়াত করেন। কিন্তু জ্বালানি সংকটে তার জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। তার মিনিবাসে দৈনিক ৩ গ্যালন (১১ লিটার) জ্বালানি লাগে, যা ১০৫,০০০ সুদানি পাউন্ড (১১.৩০ ডলার) খরচ করে। জ্বালানি পাওয়া কঠিন হওয়ায় তিনি দৈনিক ২ দিন কাজ করেন এবং ১ দিন জ্বালানি কাতারে দাঁড়ান।
জ্বালানি সংকটের কারণে দামও বেড়ে গেছে। গাজিরা স্টেটে গ্যালন জ্বালানি ৪০,০০০ পাউন্ড (৪.৩০ ডলার), পোর্ট সুদানে ৩৫,০০০ পাউন্ড (৩.৮০ ডলার)। আজহার মোহাম্মদ বলেন, “আমরা আর কাজ করতে পারছি না জ্বালানি সংকটের কারণে। পরিবহন ফেরি আর পরিবারের খরচ পূরণে যথেষ্ট নয়।” তিনি আরও বলেন, “আমি দীর্ঘ সময় কাতারে দাঁড়াই, তাই রাতের বেলা অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। আমার জীবিকা নির্ভর করে প্রতিদিনের আয়ে।”
পোর্ট সুদানের উম্ম আল-কুরা এলাকার পরিষ্কারক আজিজা ইব্রাহিম (৩৮) তার চার সন্তানের খরচ পূরণে কষ্ট পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি আগে দৈনিক ৭০০ পাউন্ডে (০.০৮ ডলার) বাসে যাতায়াত করতাম। এখন ফেরি বেড়ে গেছে ২,৫০০ পাউন্ড (০.২৭ ডলার) বা ২,০০০ পাউন্ড (০.২২ ডলার)। আমি সপ্তাহে মাত্র ৩ দিন কাজ করি, কারণ পরিবহন খরচ বেশি। আমার মাসিক বেতন ৪০০,০০০ পাউন্ড (৪৩ ডলার), যার অর্ধেক খরচ হচ্ছে পরিবহনে। ডায়াবেটিসের চিকিৎসাও খরচে পড়ে।”
"আমরা আর কাজ করতে পারছি না জ্বালানি সংকটের কারণে। পরিবহন ফেরি আর পরিবারের খরচ পূরণে যথেষ্ট নয়।"
"আমি দীর্ঘ সময় কাতারে দাঁড়াই, তাই রাতের বেলা অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। আমার জীবিকা নির্ভর করে প্রতিদিনের আয়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুদান (পোর্ট সুদান, গাজিরা স্টেট, খার্তুম)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আজহার মোহাম্মদ (মিনিবাস চালক), আজিজা ইব্রাহিম (পরিষ্কারক), সংযুক্ত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বিলিয়ন ডলার (সংঘাতের অর্থনৈতিক ক্ষতি), ৪০% (বাস ফেরি বৃদ্ধি), ৩০% (মিনিবাস ফেরি বৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!