📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু: ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইটের যুগ শুরু

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু: ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইটের যুগ শুরু

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নতুন ‘ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (ন্যান্সি-বার্ড ওয়ালটন) রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা পরিচালনা করবে এবং এয়ারবাস এ৩৮০-এর মতো বড় বিমান পরিচালনা করতে সক্ষম। প্রথম দফায় ১ কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির পশ্চিমে অবস্থিত ব্যাজেরিস ক্রিকে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে নতুন ‘ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (ন্যান্সি-বার্ড ওয়ালটন)। পাঁচ দশক পর দেশটিতে সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রধান বিমানবন্দর চালু হওয়ার এই ঐতিহাসিক ঘটনা সিডনির অর্থনৈতিক ও পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাবে। সিডনির কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা পরিচালনা করবে এবং রাতের নৈশকালীন নিষেধাজ্ঞা (কারফিউ) ছাড়াই নিরবচ্ছিন্নভাবে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ‘ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (ন্যান্সি-বার্ড ওয়ালটন)।
  • 📌 ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বিমানবন্দর ২৪ ঘণ্টা পরিচালনা করবে এবং রাতের কারফিউ ছাড়াই ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
  • 📌 প্রথম দফায় ৩.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রানওয়ে ও ১ কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে।
  • 📌 এয়ারবাস এ৩৮০-এর মতো বড় বিমানও এখানে ওঠানামা করতে পারবে।
  • 📌 বিমানবন্দরটিতে কোনো প্রথাগত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার নেই; সম্পূর্ণ ডিজিটাল রিমোট ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে।
  • 📌 ২০১৪ সাল থেকে নির্মাণকাজ শুরু হলেও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে।
  • 📌 শুরুতে অভ্যন্তরীণ রুটে জেটস্টার, আন্তর্জাতিক রুটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস, এয়ার নিউজিল্যান্ড ও ভিয়েতজেট ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
  • 📌 ২০২৭ সালে কোয়ান্টাস ও কাতার এয়ারওয়েজও এখান থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
  • 📌 বিমানবন্দর নির্মাণে ৫.৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৪৬ হাজার কোটি টাকা) খরচ হয়েছে।
  • 📌 দ্রুতগতির রেলসংযোগের অভাবে যাতায়াত ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

📰 বিস্তারিত

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ‘ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (ন্যান্সি-বার্ড ওয়ালটন) রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। এই বিমানবন্দরটি সিডনির কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। বিমানবন্দরটি ২৪ ঘণ্টা পরিচালনা করবে এবং রাতের কারফিউ ছাড়াই নিরবচ্ছিন্নভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। বর্তমানে সিডনির প্রধান বিমানবন্দরে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফ্লাইট নিষিদ্ধ থাকে, কিন্তু নতুন বিমানবন্দরটিতে এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।

প্রথম দফায় বিমানবন্দরটি ৩.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রানওয়ে ও একটি টার্মিনাল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এই রানওয়েতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান এয়ারবাস এ৩৮০ও ওঠানামা করতে পারবে। প্রথম বছরে বিমানবন্দরটি ১ কোটি যাত্রী ধারণ করার ক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় রানওয়ে ও টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে এই ধারণক্ষমতা ৮ কোটি পর্যন্ত বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিমানবন্দরটির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এখানে কোনো প্রথাগত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার নেই। সম্পূর্ণ ডিজিটাল রিমোট ব্যবস্থার মাধ্যমে উড়োজাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই প্রকল্পের মূলতম পরিকল্পনা ১৯৪৬ সালে তৎকালীন লেবার সরকারের আমলে শুরু হয়েছিল। এরপর ১৯৮৬ সালে আবার লেবার সরকারের সময় ব্যাজেরিস ক্রিকে ১ হাজার ৭৮০ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হলেও প্রকল্পটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় আটকে ছিল। ২০১৪ সালে লিবারেল জোট সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নির্মাণকাজ শুরু হয়।

বিমানবন্দরটির নির্মাণে ৫.৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৪৬ হাজার কোটি টাকা) খরচ হয়েছে। মেট্রোরেল, মোটরওয়েসহ সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণে ফেডারেল ও এনএসডব্লিউ সরকারের মোট বিনিয়োগ ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকার সমান।

"দ্রুতগতির রেলসংযোগের অভাবে যাতায়াত ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে। তবে কেন্দ্রস্থল থেকে দূরত্বের বিষয়টি কাটিয়ে পূর্ণ বাণিজ্যিক কার্যকারিতা পেতে কিছুটা সময় লাগলেও এটি পুরো রাজ্য এবং দেশের অর্থনীতিতে এক যুগান্তকারী রূপান্তর ঘটাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্যাজেরিস ক্রিক, পশ্চিম সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অস্ট্রেলিয়ান সরকার, যাত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ কিলোমিটার (সিডনির কেন্দ্র থেকে দূরত্ব), ২৪ ঘণ্টা (বিমানবন্দর পরিচালনা), ৩.৭ কিলোমিটার (রানওয়ে দৈর্ঘ্য), ১ কোটি (প্রথম বছরের ধারণক্ষমতা), ৫.৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (নির্মাণ খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖