📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেকড়ে পরিবারে বেড়ে ওঠা স্পেনের ‘মোগলি’ মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজার জীবনাবসান

নেকড়ে পরিবারে বেড়ে ওঠা স্পেনের ‘মোগলি’ মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজার জীবনাবসান

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্পেনের দুর্গম পাহাড়ে নেকড়ের দলের সঙ্গে ১২ বছর কাটিয়ে বিশ্বখ্যাত হওয়া মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজা ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর জীবনকাহিনি যেন রূপকথাকেও হার মানায়

স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় ওউরেন্স প্রদেশে নেকড়ের দলের সঙ্গে বেড়ে ওঠা বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্ব মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজা ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ১৫ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর জীবনকাহিনি যেন রূপকথাকেও হার মানায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্পেনের দুর্গম পাহাড়ে নেকড়ের দলের সঙ্গে ১২ বছর কাটিয়েছেন মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজা
  • 📌 তাঁর জীবনের প্রথম দিকে মা মৃত্যুবরণ করলে বাবা অন্য নারীর কাছে চলে যান
  • 📌 ১৯৬৫ সালে স্পেনের সিভিল গার্ড তাঁকে উদ্ধার করেন
  • 📌 মানুষের ভাষার পরিবর্তে তিনি মূলত গোঁ গোঁ শব্দে যোগাযোগ করতেন
  • 📌 তাঁর অসাধারণ জীবনকাহিনি নিয়ে স্পেনে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘Among Wolves’

📰 বিস্তারিত

স্পেনের দুর্গম পাহাড়ে নেকড়ের দলের সঙ্গে বেড়ে ওঠা মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজা ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর জীবনের প্রথম দিকে মাত্র সাত বছর বয়সে তাঁকে স্পেনের সিয়েরা মোরেনা পাহাড়ি এলাকায় ছাগল চরানোর কাজে পাঠানো হয়। তাঁর মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং পরে নির্যাতনকারী বাবা অন্য এক নারীর কাছে চলে যান।

পাহাড়ে এক বৃদ্ধ ছাগলপালকের কাছ থেকে আগুন জ্বালানো ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরির কৌশল শিখেছিলেন পানতোজা। কিন্তু একসময় ওই বৃদ্ধও মৃত্যুবরণ করেন। এরপর সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়ে ছোট্ট ছেলেটি। বেঁচে থাকার জন্য তিনি পশুপাখিদের অনুসরণ করতে শুরু করেন। কোন ফল বা গাছের শিকড় খাওয়া যায়, তা তিনি প্রাণীদের দেখেই শিখেছিলেন।

একসময় একটি মা নেকড়ে তাঁকে খাবার দিতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে তাঁকে নিজের দলের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করে। ২০১৩ সালে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পানতোজা স্মরণ করেছিলেন সেই মুহূর্তের কথা। তিনি জানান, নেকড়েটি তাঁর শাবকদের মাংস খাওয়ানোর পর তাঁর দিকেও এক টুকরো মাংস ছুড়ে দেয়। ভয় পেলেও পরে সেটি খেয়ে ফেলেন তিনি। এরপর নেকড়েটি তাঁকে জিভ দিয়ে চেটে দেয়। পানতোজার ভাষায়, এরপর থেকেই তিনি যেন সেই পরিবারের একজন হয়ে যান।

"এরপর থেকেই তিনি যেন সেই পরিবারের একজন হয়ে যান। পাহাড়ে তাঁর সঙ্গী ছিল একটি সাপও। ছাগলের দুধ খাওয়ানোর কারণে সাপটি প্রায়ই তাঁর পেছনে পেছনে ঘুরত বলে তিনি দাবি করেছিলেন।"

১৯৬৫ সালে, ১৯ বছর বয়সে স্পেনের সিভিল গার্ড তাঁকে খুঁজে পায়। ততদিনে তিনি প্রায় ১২ বছর কোনো মানুষের সংস্পর্শ ছাড়াই কাটিয়েছেন। তাঁকে অর্ধনগ্ন ও খালি পায়ে পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছিল। মানুষের ভাষার বদলে তিনি মূলত গোঁ গোঁ শব্দে যোগাযোগ করতেন। পাহাড় থেকে তাঁকে জোর করে নিয়ে আসতে হয়েছিল।

পানতোজার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি নেকড়ের মতো চিৎকার করতেন এবং কামড়ানোর চেষ্টা করতেন। সভ্য সমাজে ফিরে আসাই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে ভীতিকর অভিজ্ঞতা। পরে একটি এতিমখানায় তাঁকে আবার সোজা হয়ে হাঁটা, টেবিলে বসে খাওয়া এবং কথা বলা শেখানো হয়। গাড়ির শব্দ, জনসমাগম, এমনকি বিছানায় ঘুমানোও তাঁকে আতঙ্কিত করত।

পরবর্তী জীবনে তিনি সেনাবাহিনীতে কাজ করেন, রাখাল ও হোটেলশিল্পেও কর্মরত ছিলেন। তবে সমাজের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেননি কখনোই। বহু বছর পর পাহাড়ে ফিরে গেলেও দেখেন, তাঁর পরিচিত গুহার জায়গায় তৈরি হয়েছে বাড়িঘর ও বৈদ্যুতিক গেট। সবচেয়ে বেদনাদায়ক ছিল—নেকড়েরাও আর তাঁকে নিজেদের একজন হিসেবে গ্রহণ করেনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় ওউরেন্স প্রদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কোস রদ্রিগেজ পানতোজা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ বছর, ১২ বছর, ১৯ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖