📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ সত্ত্বেও দক্ষিণ কোরিয়া ইরান যুদ্ধে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে-মিউং ঘোষণা দেন যে, দেশটি যুদ্ধে জড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান যুদ্ধে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি। শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে-মিউং এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন যে, দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে কোনো সামরিক তৎপরতায় অংশ নেবে না। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সেনা পাঠানোর কোনো গুঞ্জনকে উপেক্ষা করে যুদ্ধে জড়াতে হবে এমন কোনো সামরিক সরঞ্জাম সেখানে পাঠানো হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া ইরান যুদ্ধে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে নিরপেক্ষতা ঘোষণা করেছে।
- 📌 প্রেসিডেন্ট লি জায়ে-মিউং বলেছেন, নিজস্ব বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যূনতম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট লি।
- 📌 ওয়াশিংটন কোরীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনবে বলে চুক্তি করা হয়েছে।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ট্রাম্পের আহ্বানে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে-মিউং বলেছেন, ইরান যুদ্ধে অংশ নেওয়ার বিষয়ে দেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের অস্বস্তি রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিষয়ে কিছু শর্ত মেনে নেওয়া কঠিন হলেও দুই পক্ষ একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই চুক্তির বিনিময়ে মার্কিন সরকার কোরীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্পের চাপে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট সিউলের সমালোচনা করেছেন। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে দিয়েছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ট্রাম্পের আহ্বানে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, ট্রাম্প আলোচনা চান এবং সিউলও সেই লক্ষ্যে কাজ করছে।
দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে সোমালিয়া উপকূলে জলদস্যু দমনে নৌবাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সেনা পাঠানোর বিষয়টি দেশের অভ্যন্তরে বেশ অজনপ্রিয়।
"হরমুজ প্রণালিতে সেনা পাঠানোর গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে প্রেসিডেন্ট লি বলেন, যুদ্ধে জড়াতে হয় এমন কোনো সামরিক সরঞ্জাম সেখানে পাঠানো হবে না। তবে নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজ, জ্বালানি তেলের চালান এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্যান্য দেশের মতো ন্যূনতম পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য (হরমুজ প্রণালি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট লি জায়ে-মিউং, ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিম জং উন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ, ১৫ শতাংশ শুল্ক হ্রাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!