📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা: সোনিয়া গান্ধী কেন দাবি করেন ইন্দিরা গান্ধীর সন্তানরা দায়ী নন?

১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা: সোনিয়া গান্ধী কেন দাবি করেন ইন্দিরা গান্ধীর সন্তানরা দায়ী নন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধী 'বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ' বই প্রকাশের আগে দ্য হিন্দুতে দিয়েছেন সাক্ষাৎকার। তিনি বলেছেন, ১২ বছরের মোদি সরকারের শাসনে ভারতের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি বিষয়ে সোনিয়া দাবি করেছেন, সঞ্জয় গান্ধীকে একা দোষারোপ করা অন্যায় এবং রাজীব গান্ধীই একমাত্র যিনি ইন্দিরাকে সতর্ক করেছিলেন

কংগ্রেসের নেতা সোনিয়া গান্ধী ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা জারি বিষয়ে দ্য হিন্দুর সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত বলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সঞ্জয় গান্ধীকে একা দোষারোপ করা অন্যায় এবং ইন্দিরা গান্ধীর সন্তান রাজীব গান্ধীই একমাত্র যিনি জরুরি অবস্থা জারি বিষয়ে মায়ের সতর্ক করেছিলেন। সোনিয়া বলেছেন, দেশের সাংবিধানিক সংস্থা ও গণতন্ত্রের ক্ষতি মোদি সরকারের ১২ বছরের শাসনে প্রবল হয়েছে এবং ক্ষতির মেরামত করতে অনেক সময় লাগবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সোনিয়া গান্ধী দ্য হিন্দুর সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা জারি বিষয়ে সঞ্জয় গান্ধীকে একা দোষারোপ করা অন্যায়। তিনি দাবি করেছেন, ইন্দিরা গান্ধীর ওপর দলের শীর্ষ নেতাদের চাপ ছিল এবং রাজীব গান্ধীই একমাত্র যিনি মায়ের সতর্ক করেছিলেন।
  • 📌 সোনিয়া বলেছেন, ১২ বছরের মোদি সরকারের শাসনে ভারতের গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক সংস্থাগুলোতে প্রবল ক্ষতি হয়েছে। তিনি মনে করেন, ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও গণতন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে অনেক সময় লাগবে।
  • 📌 ১০ নভেম্বর প্রকাশিত সোনিয়া গান্ধীর আত্মকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’-এ তিনি জরুরি অবস্থা জারি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
  • 📌 সোনিয়া দাবি করেছেন, বিজেপি ও আরএসএসের সঙ্গে কংগ্রেস কখনো আপস করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তিনি বলেছেন, মোদি সরকারের শাসনামলে দেশের ক্ষতি প্রবল হয়েছে, কিন্তু তিনি আশাবাদী যে ভারতীয় জনগণ প্রকৃত শাসনব্যবস্থায় ফিরে যাওয়াকে স্বাগত জানাবেন।
  • 📌 বিদেশিনি বিষয়ে সোনিয়া বলেছেন, দলের নেতারা তার বিদেশিনি পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেছেন, তিনি ব্যথিত ছিলেন, কারণ তারা তার সহকর্মী ও বিশ্বস্ত ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

দ্য হিন্দুর সাক্ষাৎকারে সোনিয়া গান্ধী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা জারি বিষয়ে সঞ্জয় গান্ধীকে একা দোষারোপ করা অন্যায়। তিনি দাবি করেছেন, ইন্দিরা গান্ধীর ওপর দলের শীর্ষ নেতাদের চাপ ছিল এবং রাজীব গান্ধীই একমাত্র যিনি মায়ের সতর্ক করেছিলেন। সোনিয়া বলেছেন, ‘লোকের মনে জরুরি অবস্থা ও সঞ্জয় সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সঞ্জয় গান্ধীকেই শুধু দোষারোপ করা অন্যায় হবে। শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর ওপর অনেক শীর্ষ নেতার চাপ ছিল। রাজীব গান্ধীর মতো খুব কম মানুষ ছিলেন, যাঁদের জরুরি অবস্থা নিয়ে ভিন্ন ধারণা ছিল।’

সোনিয়া বলেছেন, ইন্দিরা গান্ধী পরিস্থিতি উপলব্ধি করেছিলেন এবং প্রতিকারে সচেষ্টও হয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল কারণ দেশের আনাচকানাচে আইনশৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছিল। জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ, সরকারি অফিসে আগুন লাগানো, প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ অমান্য করার মতো ঘটনা ঘটছিল। সোনিয়া বলেছেন, ইন্দিরা গান্ধী দ্রুত পরিস্থিতির সামাল দিতে চেয়েছিলেন।

সোনিয়া দ্য হিন্দুর সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘দেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করতে অনেক সময় লাগবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে অনেক মেহনত করতে হবে। দেশের মানুষ ক্রমশ অস্থির হয়ে পড়ছেন। তাঁরা দেশের ক্ষতিটা বুঝতে পারছেন। তাঁরা প্রকৃত শাসনব্যবস্থায় ফিরতে চাইছেন।’ তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতিতে কখনো–সখনো আপস করতে হয়। কিন্তু বিজেপি ও আরএসএসের সঙ্গে কংগ্রেস কখনো আপস করেনি, ভবিষ্যতেও কখনো করবে না।’

"আরএসএস থেকে আমাদের কিছু শেখার আছে বলে মনে করি না। বঞ্চিত ও অনগ্রসর সমাজ থেকে বিজেপি ও আরএসএসের ভেতরে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছেন তিনি। এক অন্য ধরনের আদর্শগত রাজনীতি থেকে তিনি এসেছেন।"

সোনিয়া বলেছেন, ‘বিদেশিনি’ বিষয়ে দলের নেতারা তার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি ব্যথিত হয়েছিলাম। আমার কষ্ট হয়েছিল। ওঁরা আমারই সহকর্মী। আমার বিশ্বস্ত। অথচ আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোনিয়া গান্ধী, নরেন্দ্র মোদি, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর, ১০ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖