📌 ষোল বছর বয়সে নিজের বাবা সম্পর্কে জানতে পারেন ক্লেমঁ ভানদেনকার্কহোভ। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ডিএনএ পরীক্ষার পর ২৬ বছর বয়সে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বেলজিয়ামের রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পান
ষোল বছর বয়সে নিজের বাবা সম্পর্কে জানতে পারেন ক্লেমঁ ভানদেনকার্কহোভ। তাঁর বাবা ছিলেন বেলজিয়ামের রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স লরাঁ। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ডিএনএ পরীক্ষার পর ২৬ বছর বয়সে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ক্লেমঁ ভানদেনকার্কহোভের বাবা প্রিন্স লরাঁ, যিনি বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপের ছোট ভাই
- 📌 মায়ের কাছ থেকে জানতে পারেন নিজের বাবার পরিচয় যখন তাঁর বয়স ছিল ষোল বছর
- 📌 ২৬ বছর বয়সে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পর্ক নিশ্চিত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মিলেছে
- 📌 রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি রাজকীয় ভাতা বা সরকারি দায়িত্ব পাবেন না
- 📌 নিজের মায়ের কাছ থেকে পাওয়া নাম ‘ভানদেনকার্কহোভ’ রাখতে চান ক্লেমঁ
📰 বিস্তারিত
ক্লেমঁ ভানদেনকার্কহোভের বয়স যখন ষোল বছর, তখন তাঁর মা ওয়েন্ডি ভান ওয়ানটেন তাঁকে জানান যে তাঁর বাবা সাধারণ কেউ নন, তিনি বেলজিয়ামের রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স লরাঁ। এই তথ্য জানার পরও তাঁর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়নি। চার বছর পর তিনি নিজেই তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পর্ক নিশ্চিত হন।
ডিএনএ পরীক্ষায় সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ার পর প্রিন্স লরাঁ তাঁকে নিজের ছেলে হিসেবে আইনগতভাবে স্বীকৃতি দেন। তবে এই স্বীকৃতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে আসে প্রায় ছয় মাস পর। ক্লেমঁ জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে খোলামেলা ও আন্তরিক কথাবার্তা হয়েছে।
এই স্বীকৃতির ফলে ক্লেমঁ এখন প্রিন্স লরাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে তাঁর সৎভাই-বোনদের সমান উত্তরাধিকারের অধিকার পাবেন। প্রিন্স লরাঁর স্ত্রী প্রিন্সেস ক্লেয়ারের ঘরে আরও তিন সন্তান রয়েছে—প্রিন্সেস লুইস, প্রিন্স নিকোলাস ও প্রিন্স আয়মেরিক।
"এই পারিবারিক নাম ত্যাগ করা আমার মায়ের এত দিনের অবদানের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার মতো হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেলজিয়াম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্লেমঁ ভানদেনকার্কহোভ, প্রিন্স লরাঁ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর, ২৬ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!