📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ধর্মীয় বিভাজনকে অস্বীকার করে উদারপন্থার পক্ষে শাবানা-জাভেদের দৃঢ় অবস্থান

ধর্মীয় বিভাজনকে অস্বীকার করে উদারপন্থার পক্ষে শাবানা-জাভেদের দৃঢ় অবস্থান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে মানুষকে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি ও তাঁর স্বামী গীতিকার জাভেদ আখতার। তাঁরা ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের হুমকি ও সমালোচনার মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরেননি বলে জানিয়েছেন

ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রখ্যাত অভিনেত্রী শাবানা আজমি ও তাঁর স্বামী, গীতিকার-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার। ধর্মের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে মানুষকে মূল্যায়নের পক্ষে তাঁরা বারবার কথা বলেছেন। সম্প্রতি জুম সাক্ষাৎকারে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শাবানা জানান, সব ধর্মের উগ্রপন্থীরাই তাঁদের সহ্য করতে পারেন না। কখনো তাঁদের সন্ত্রাসবাদী বলা হয়েছে, আবার কখনো ফতোয়া জারি করা হয়েছে। তবে এসব হুমকি তাঁদের নিজেদের আদর্শ থেকে সরাতে পারেনি বলে জানান তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে মানুষকে মূল্যায়নের আহ্বান শাবানা-জাভেদের
  • 📌 সব ধর্মের উগ্রপন্থীদের কাছ থেকে নানা ধরনের হুমকির মুখোমুখি তাঁরা
  • 📌 উদারপন্থী হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে মিল বেশি বলে মন্তব্য শাবানার
  • 📌 ভারতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ তাঁদের

📰 বিস্তারিত

ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রখ্যাত অভিনেত্রী শাবানা আজমি ও তাঁর স্বামী, গীতিকার-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার। ধর্মের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে মানুষকে মূল্যায়নের পক্ষে তাঁরা বারবার কথা বলেছেন। সম্প্রতি জুম সাক্ষাৎকারে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শাবানা জানান, সব ধর্মের উগ্রপন্থীরাই তাঁদের সহ্য করতে পারেন না। কখনো তাঁদের সন্ত্রাসবাদী বলা হয়েছে, আবার কখনো ফতোয়া জারি করা হয়েছে। তবে এসব হুমকি তাঁদের নিজেদের আদর্শ থেকে সরাতে পারেনি বলে জানান তিনি।

শাবানা মনে করেন, ধর্মীয় বিভাজনকে শুধু হিন্দু-মুসলিম বিভাজন হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তাঁর মতে, প্রকৃত বিভাজন হলো উদারপন্থী ও উগ্রপন্থীদের মধ্যে। একজন উদারপন্থী হিন্দু ও উদারপন্থী মুসলমানের মধ্যে অনেক বেশি মিল রয়েছে। একইভাবে উগ্রপন্থী হিন্দু ও উগ্রপন্থী মুসলমানের চিন্তাভাবনার মধ্যেও মিল রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ধর্মের পরিচয়ের বাইরে গিয়ে মানুষকে দেখার আহ্বান জানিয়ে শাবানা বলেন, তাঁরা এমন একটি ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করেন, যেখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করেন। তাঁর মতে, ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি তার বৈচিত্র্য ও সহাবস্থানের ঐতিহ্য।

এই সাক্ষাৎকারে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবির প্রসঙ্গও উঠে আসে। ছবিতে সানি দেওল মুসলিম চরিত্রে অভিনয় করলেও দর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি। শাবানা মনে করেন, বর্তমান সময়ের ধর্মীয় বিভাজনের পরিবেশের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। তিনি অতীতের হিন্দি ছবির উদাহরণ দিয়ে বলেন, এক সময় অভিনেতাদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তেমন ভাবনা ছিল না। অভিনেতারা সহজেই ভিন্ন ধর্মের চরিত্রে অভিনয় করতেন এবং দর্শকেরাও তা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতেন।

"একটা সময় ছিল যখন অমিতাভ বচ্চন ‘কুলি’ ছবিতে মুসলিম চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ‘দিওয়ার’ ছবিতেও তাঁর চরিত্রের সঙ্গে ‘৭৮৬’ সংখ্যাটির বিশেষ সম্পর্ক ছিল। তখন এসব নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তেমন আপত্তি দেখা যায়নি। সময়ের সঙ্গে কি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে? এখন কি কোনো অভিনেতা কোন ধর্মের চরিত্রে অভিনয় করছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাবানা আজমি, জাভেদ আখতার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖