📌 সের্বিয়ার স্ন্যাপ প্যার্লামেন্টারি নির্বাচনে ছাত্র-সমর্থিত আন্দোলন সফল হলে রাষ্ট্রপতি আলেক্সান্ডার ভুচিচের দীর্ঘদিনের শাসন শেষ হয়। বেলগ্রেডে জনসমাগমে ত্রিফিঙ্গার স্যালুট, পতাকা ও ফায়ারওয়ার্কের মধ্যেই উদ্যাপন চলছে
সের্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে রাতের আঁধারে ছাত্র-সমর্থিত আন্দোলনের জয়ে জনগণ উদ্যাপনের মাঝে মাতাল হয়ে পড়েছে। সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত স্ন্যাপ প্যার্লামেন্টারি নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি আলেক্সান্ডার ভুচিচের দীর্ঘদিনের শাসনকে অবসান দিয়েছে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন "স্টুডেন্ট লিস্ট" পার্টি। নির্বাচনের পর বেলগ্রেডের সড়কগুলো সের্বীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত গাড়ির হর্ন বাজানো, ফায়ারওয়ার্ক ও কেন্দ্রীয় চৌকাঠে জনসমাগমের মধ্যেই উদ্যাপন চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০২৪ সালের নভি সাদ রেলওয়ে স্টেশনের ক্যানপির পতনের পর** (১৬ জন মৃত্যুবরণ) ছাত্র-আন্দোলন শুরু হয়, যা সের্বিয়ার সর্ববৃহৎ প্রতিবাদে পরিণত হয়।
- 📌 **বেলগ্রেডের জনগণ ত্রিফিঙ্গার স্যালুট দিয়েছেন** — ছাত্র-নেতৃত্বাধীন "স্টুডেন্ট লিস্ট"-এর নির্বাচনী প্রতীক এবং সের্বীয় ঐতিহ্যবাহী স্বাগতের চিহ্ন।
- 📌 **ক্যান্ডিডেট রাডোমির সাইচিক** ঘোষণা করেন, "সের্বিয়া জিতেছে। আর এই দেশে আর কোনো ত্যাগী শাসক থাকবে না।" তিনি শান্তিপূর্ণ উদ্যাপন ও দায়িত্বশীল কাজের আহ্বান জানান।
- 📌 **রাষ্ট্রপতি ভুচিচের ২০ বছরের শাসন অবসান** — যা ২০০০ সালের স্লোবোদান মিলোসেভিচের পতনের পর থেকে সের্বিয়ার রাজনীতিতে সর্ববৃহৎ পরিবর্তন।
- 📌 **প্রতিবাদী সমর্থকরা সরকারি শিবির ভেঙে দিয়েছেন** — রিয়োট পুলিশের প্রত্যাহারের সাথে সাথে উদ্যাপন চলছে।
📰 বিস্তারিত
২০২৪ সালের নভি সাদ রেলওয়ে স্টেশনের ক্যানপির পতনের ঘটনা সের্বিয়ার রাজনীতিতে একটি মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৬ জনের মৃত্যুতে ঘটনাটি সের্বিয়ার সর্ববৃহৎ প্রতিবাদে পরিণত হয়, যা ২০০০ সালের স্লোবোদান মিলোসেভিচের পতনের পর থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জনসমাবেশের সৃষ্টি করে। ছাত্র-নেতৃত্বাধীন "স্টুডেন্ট লিস্ট" পার্টি এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে এবং সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত স্ন্যাপ নির্বাচনে তাদের জয়ের মধ্য দিয়ে ভুচিচের দীর্ঘদিনের শাসন অবসান পায়।
বেলগ্রেডের সড়কগুলো সের্বীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত গাড়ির হর্ন বাজানো, ফায়ারওয়ার্ক ও কেন্দ্রীয় চৌকাঠে জনসমাগমের মধ্যেই উদ্যাপন চলছে। ছাত্র-নেতা মিলা মার্টিক বলেছেন, "আমি মনে করি আমি অবশেষে একটি স্বাধীন দেশে বসবাস করছি।" জনগণ ত্রিফিঙ্গার স্যালুট দিয়েছেন — যা ছাত্র-নেতৃত্বাধীন "স্টুডেন্ট লিস্ট"-এর নির্বাচনী প্রতীক এবং সের্বীয় ঐতিহ্যবাহী স্বাগতের চিহ্ন।
ক্যান্ডিডেট রাডোমির সাইচিক, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নির্বাচনের পর ঘোষণা দেন, "সের্বিয়া জিতেছে। আমরা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পেয়েছি। আর এই দেশে আর কোনো ত্যাগী শাসক থাকবে না।" তিনি শান্তিপূর্ণ উদ্যাপন ও দায়িত্বশীল কাজের আহ্বান জানান।
"আমি মনে করি আমি অবশেষে একটি স্বাধীন দেশে বসবাস করছি।"
"সের্বিয়া জিতেছে। আর এই দেশে আর কোনো ত্যাগী শাসক থাকবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেলগ্রেড (সের্বিয়া), নভি সাদ রেলওয়ে স্টেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাডোমির সাইচিক (ক্যান্ডিডেট), আলেক্সান্ডার ভুচিচ (রাষ্ট্রপতি), মিলা মার্টিক (ছাত্র-নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জন (নিহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!