📌 সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন দল ১৩৫ থেকে ১৪০ আসন পেয়ে জয়লাভ করে। প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুসিচের ১২ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য শেষ হয়। ১৬ জনের মৃত্যুর পর শুরু হওয়া গণআন্দোলন এই নির্বাচনে ফল দিতে সক্ষম হয়
সার্বিয়ার রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের আধিপত্য ভেঙে ফেলেছে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলন। রোববার অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুসিচের দল পরাজিত হয়। ২০১৪ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ভুসিচের ১২ বছরের রাজনৈতিক যাত্রা এবার শেষ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের সমর্থিত দল ২৫০ আসনের সংসদে ১৩৫ থেকে ১৪০ আসন পেয়ে জয়ী হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন দল ১৩৫ থেকে ১৪০ আসন পেয়ে জয়লাভ করে, প্রেসিডেন্ট ভুসিচের দল পায় ১০৫ আসন
- 📌 ২০১৪ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ভুসিচের ১২ বছরের রাজনৈতিক যাত্রা এবার শেষ হয়
- 📌 ২০২৪ সালে নোভি সাদ শহরে রেলস্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যু ঘটলে শুরু হয় গণআন্দোলন
- 📌 ভোটার উপস্থিতি ৭০ শতাংশে পৌঁছায়, যা ১৯৯২ সালের পর সর্বোচ্চ
- 📌 বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাদোমির সাজিচ বলেন, ‘আজ রাতে জনগণের কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে’
📰 বিস্তারিত
দীর্ঘদিনের আধিপত্য ভেঙে ফেলেছে সার্বিয়ার শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলন। রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুসিচের দল পরাজিত হয়। ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় থাকা ভুসিচের ১২ বছরের রাজনৈতিক যাত্রা এবার শেষ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের সমর্থিত দল ২৫০ আসনের সংসদে ১৩৫ থেকে ১৪০ আসন পেয়ে জয়লাভ করে।
দুর্নীতি ও ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর ধরে চলা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের মুখে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন ভুসিচ। ২০২৪ সালের নোভি সাদ শহরে রেলস্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যু ঘটলে এই আন্দোলন আরো জোরালো হয়। নির্বাচনের পর ভুসিচ টেলিভিশনে ভাষণ দেন এবং বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে আমরা এই নির্বাচনে হেরে গেছি। শিক্ষার্থীদের তালিকা জয়ী হয়েছে।’ তার এই ঘোষণার পরপরই রাজধানী বেলগ্রেডের রাস্তায় আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। গাড়ির হর্ন, মানুষের নাচ আর শিক্ষার্থীদের ‘বিজয়’ ও ‘তার খেলা শেষ’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজপথ।
প্রায় ৬০ লাখ জনসংখ্যার দেশ সার্বিয়ায় এই জয়কে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত এপ্রিলে হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবানের পরাজয়ের ঘটনার সঙ্গে এর তুলনা করা হচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার অভাবের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জন্যও সার্বিয়ার এই ফল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।
বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাদোমির সাজিচ শিক্ষার্থীদের সদর দপ্তর থেকে বলেন, ‘প্রিয় সার্বিয়া, আজ রাতে জনগণের কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে। আজ রাতে আমরা বিজয় উদ্যাপন করছি, আগামীকাল ভবিষ্যৎ গড়ব।’
"এটা স্পষ্ট যে আমরা এই নির্বাচনে হেরে গেছি। শিক্ষার্থীদের তালিকা জয়ী হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সার্বিয়া (বিশেষত বেলগ্রেড ও নোভি সাদ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলেক্সান্দার ভুসিচ (প্রেসিডেন্ট), রাদোমির সাজিচ (অধ্যাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জন মৃত্যু (২০২৪), ৬০ লাখ জনসংখ্যা, ২৫০ আসনের সংসদ, ১৩৫-১৪০ আসন (শিক্ষার্থীদের দল), ১০৫ আসন (ভুসিচের দল), ৭০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!