📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৌদি আরবকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি: মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ ও চীন-সৌদি সম্পর্কের ঝুঁকি

সৌদি আরবকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি: মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ ও চীন-সৌদি সম্পর্কের ঝুঁকি

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিলে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তারা ভয় পাচ্ছেন চীন-সৌদি সম্পর্কের কারণে এই অত্যাধুনিক স্টেলথ প্রযুক্তি চীনের হাতে পড়তে পারে। সৌদি আরবের সাথে এই চুক্তি মার্কিন নীতির একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের মূল্যে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিলে মার্কিন কংগ্রেসের কিছু সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই সিদ্ধান্তে তারা ভয় পাচ্ছেন যে, চীন-সৌদি আরবের নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের কারণে এই অত্যাধুনিক স্টেলথ প্রযুক্তি চীনের হাতে পড়তে পারে। মার্কিন নীতির এই পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক চলছে, কারণ ইসরায়েলের সাথে সৌদি আরবের সম্পর্কের অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য বিবেচনায় এটিকে বিতর্কিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে, যার মূল্য প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার।
  • 📌 মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এই প্রযুক্তি চীন-সৌদি সম্পর্কের কারণে চীনের হাতে পড়তে পারে।
  • 📌 মার্কিন আইন অনুযায়ী, ইসরায়েলকে সর্বাধুনিক অস্ত্র দেওয়ার গ্যারান্টি থাকায় এই বিক্রি বিতর্কিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
  • 📌 সৌদি আরবের সাথে এই চুক্তি মার্কিন নীতির একটি বড় পরিবর্তন, কারণ আগে রিয়াদকে এফ-৩৫ দেওয়া হয়নি।
  • 📌 ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমর্থনে দেখছে।

📰 বিস্তারিত

সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সিদ্ধান্তে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মার্কিন নীতির এই পরিবর্তনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেসের কিছু সদস্য। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় রাজ্যের ডেমোক্রেট প্রতিনিধি রাজা কৃষ্ণমূর্তি বৃহস্পতিবার এই অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, "এর মাধ্যমে আমেরিকান সামরিক প্রযুক্তির রত্নভাণ্ডার কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার নাগালের মধ্যে চলে যেতে পারে।" অন্যান্য ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতা এবং কিছু মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাও সৌদি আরবকে এফ-৩৫ দেওয়ার বিষয়ে একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, চীন ও সৌদি আরবের মধ্যকার নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের সুবাদে রিয়াদ সংবেদনশীল এই প্রযুক্তি চীনের সাথে লেনদেন করতে পারে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের "পররাষ্ট্রনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা উদ্দেশ্যগুলোকে" সমর্থন করবে। তারা বলেছেন, এই চুক্তিটি "নেটো-বহির্ভূত একটি প্রধান মিত্র দেশের নিরাপত্তা উন্নত করবে, যেটি উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি চালিকাশক্তি।" স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরও যোগ করেছে, "সরঞ্জাম ও সহায়তার এই প্রস্তাবিত লেনদেন এর ফলে ওই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যের কোনো পরিবর্তন হবে না।"

সৌদি আরবের সাথে এই চুক্তির পিছনে রয়েছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। গত নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে সৌদি যুবরাজের সফর এবং গত বছর মে মাসে রিয়াদে তাদের বৈঠকে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তিকে হোয়াইট হাউস "ইতিহাসের বৃহত্তম প্রতিরক্ষা বিক্রয় চুক্তি" হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন যুদ্ধবিমান। সৌদি আরবের এই চেষ্টায় আগে বাধা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, কারণ ইসরায়েলকে এফ-৩৫ সরবরাহ করা হয়। মার্কিন আইন অনুযায়ী, ইসরায়েলকে সর্বাধুনিক অস্ত্র দেওয়ার গ্যারান্টি থাকায় এই বিক্রি বিতর্কিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত মে মাসে ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা এফ-৩৫ এর আরও একটি স্কোয়াড্রন কিনবে, যার ফলে তাদের এফ-৩৫ বহরের আকার দ্বিগুণ হয়ে ১০০টি হবে।

২০১৮ সালে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের পর, কংগ্রেস সৌদি আরবের সাথে হওয়া অস্ত্র চুক্তিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন সৌদি আরবকে এফ-৩৫ সরবরাহের কথা বিবেচনা করেছিল, কিন্তু সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

সৌদি আরব ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণকারী ইরান সমর্থিত হুথিদের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত সরাসরি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এর মধ্যে জড়ানো থেকে বিরত রয়েছেন।

"এর মাধ্যমে আমেরিকান সামরিক প্রযুক্তির রত্নভাণ্ডার কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার নাগালের মধ্যে চলে যেতে পারে।"
"পররাষ্ট্রনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা উদ্দেশ্যগুলোকে সমর্থন করবে।"
"নেটো-বহির্ভূত একটি প্রধান মিত্র দেশের নিরাপত্তা উন্নত করবে, যেটি উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি চালিকাশক্তি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (সিদ্ধান্ত), সৌদি আরব (ক্রেতা), চীন (উদ্বেগ), ইসরায়েল (বিতর্ক), ইয়েমেন (হুথি সংঘাত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টম বেইটম্যান (লেখক), রাজা কৃষ্ণমূর্তি (কংগ্রেস সদস্য), মোহাম্মদ বিন সালমান (সৌদি যুবরাজ), জো বাইডেন (সাবেক প্রেসিডেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, ২৪ বিলিয়ন ডলার, ৩০ দিন (কংগ্রেসের সময়সীমা), ১৪২ বিলিয়ন ডলার (গত চুক্তি), ১০০টি (ইসরায়েলের এফ-৩৫ বহর), ৮২.৫ মিলিয়ন ডলার (একটি এফ-৩৫ এর দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖