📌 প্রশান্ত মহাসাগরে বিরাজমান এল নিনোর প্রভাব বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছে। মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর ও মেট অফিসের তথ্যমতে, ২০২৭ সাল হতে পারে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এল নিনো আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
প্রশান্ত মহাসাগরে বিরাজমান এল নিনোর প্রভাব বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছে। মার্কিন আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, এই প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে ২০২৭ সাল হতে পারে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এল নিনোর প্রভাব বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনো বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হতে পারে
- 📌 মেট অফিসের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হয়ে ২০২৭ সাল রেকর্ড ভাঙা উষ্ণ বছর হতে পারে
- 📌 এল নিনোর কারণে ভারতে স্বাভাবিকের তুলনায় কম মৌসুমি বৃষ্টি হচ্ছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরে হারিকেনের তৎপরতা কমেছে
- 📌 যুক্তরাজ্যে ভেজা ও ঝোড়ো শরতের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে মেট অফিস
- 📌 প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রয়েছে
📰 বিস্তারিত
প্রশান্ত মহাসাগরে বিরাজমান এল নিনোর প্রভাব বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছে। মার্কিন আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, এই প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে ২০২৭ সাল হতে পারে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এল নিনোর প্রভাব বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলছে।
মেট অফিস আরও জানিয়েছে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হওয়ায় ২০২৭ সাল বিশ্বব্যাপী রেকর্ডে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হওয়ার ‘খুব বেশি সম্ভাবনা’ রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার ধরনে এর প্রভাব ইতিমধ্যে পড়তে শুরু করেছে। ভারতে স্বাভাবিকের তুলনায় কম মৌসুমি বৃষ্টি হচ্ছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরে হারিকেনের তৎপরতাও কম রয়েছে। অন্যদিকে এল নিনোর কারণে যুক্তরাজ্যে ভেজা ও ঝোড়ো শরতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যের মেট অফিসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অ্যাডাম স্কেফ বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বলা উচিত, এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। আমাদের পূর্বাভাসে এত তীব্র এল নিনোর সংকেত আমি আগে কখনো দেখিনি।’
‘এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। আমাদের পূর্বাভাসে এত তীব্র এল নিনোর সংকেত আমি আগে কখনো দেখিনি।’ — অধ্যাপক অ্যাডাম স্কেফ, প্রধান, দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস বিভাগ, যুক্তরাজ্যের মেট অফিস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক অ্যাডাম স্কেফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!