📌 জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে মানবিক কর্মীদের ওপর সর্বোচ্চ হামলা হয়েছে, যার মধ্যে ৯০৭ জন নিহত, আহত বা অপহৃত হয়েছেন। গাজা ও সুদানে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই সহিংসতাকে ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে মানবিক কর্মীদের ওপর সর্বোচ্চ সংখ্যক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর পেছনে সশস্ত্র ড্রোনের ব্যবহারের প্রভাব রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৫ সালে মানবিক কর্মীদের ওপর হামলার সংখ্যা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৯০৭ জন নিহত, আহত বা অপহৃত হয়েছেন।
- 📌 এই সংখ্যার মধ্যে ৩৫০ জন নিহত হন, যা ২০২৪ সালের তুলনায় সামান্য কম।
- 📌 গাজা অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ১৮৬ জন মানবিক কর্মী নিহত হন।
- 📌 জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই সহিংসতাকে ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে মানবিক কর্মীদের ওপর সর্বোচ্চ সংখ্যক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর পেছনে সশস্ত্র ড্রোনের ব্যবহারের প্রভাব রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার বলেন, সস্তা ও অভিযোজিত ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে সংঘাত এলাকায় মানবিক কর্মীদের ঝুঁকি বেড়েছে। মার্চ মাসে পূর্ব কঙ্গোর গোমা শহরে ড্রোন হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হন, যার মধ্যে একজন ফরাসি মানবিক কর্মীও রয়েছেন। সুদান ও ইউক্রেনে মানবিক কনভয় বারবার হামলার শিকার হয়েছে।
গাজা অঞ্চলে ২০২৫ সালে মানবিক কর্মীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে ১৮৬ জন মানবিক কর্মী নিহত হন। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থার মানবিক সমন্বয়ক রামিজ আলাকবারভ এক্স পোস্টে বলেন, "মানবিক কর্মীরা কোনো লক্ষ্যবস্তু নয় এবং মানবিক সহায়তা অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে সহায়তা করা উচিত।"
"যুদ্ধের নিয়ম মেনে চলা এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য রাষ্ট্রগুলোকে জোর দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা, সুদান, পূর্ব কঙ্গো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্তোনিও গুতেরেস, টম ফ্লেচার, রামিজ আলাকবারভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০৭ জন, ৩৫০ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!