📌 কিরগিজস্তানের বিশকেকে অনুষ্ঠিতব্য শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ বিশ্বের প্রভাবশালী নেতারা। বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হবে এই সম্মেলনে।
কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তুলে ধরছেন নেতারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এসসিও সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন রাশিয়া, চীন, ইরান ও তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধানরা
- 📌 সংস্থাটির ১০টি স্থায়ী সদস্য দেশের পাশাপাশি ১৫টি দেশ রয়েছে ‘সংলাপ অংশীদার’ হিসেবে
- 📌 সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বহুমেরু বিশ্ব ব্যবস্থা ও পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান
- 📌 ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন
- 📌 এসসিও বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ জনসংখ্যা এবং ২৫ শতাংশ বৈশ্বিক জিডিপির প্রতিনিধিত্ব করে
📰 বিস্তারিত
শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে আগামী সোমবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। যদিও তুরস্ক সংস্থাটির সদস্য নয়, তবুও তিনি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এসসিওর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে সংস্থাটির নেতারা একত্রিত হচ্ছেন। গত বছরের সম্মেলনে পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোকে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য দায়ী করেন এবং শি জিনপিং মার্কিন-চীন উত্তেজনাকে ‘ভীতিপ্রদর্শনমূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন।
এছাড়া ভারত ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীরাও সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর পাশাপাশি সৌদি আরব, কাতারসহ আরও ১৫টি দেশ রয়েছে ‘সংলাপ অংশীদার’ হিসেবে। ইরান ২০২৩ সালে সংস্থাটিতে যোগদান করে এবং রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক ও শক্তি সম্পর্ক বজায় রাখছে।
"এসসিও অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত জোট নয়।"
এই সম্মেলনটি এসসিও প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে। এর আগে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জি২০ সদস্য দেশগুলোকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি চীনের ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বৃত্তকে ‘অস্থিতিশীল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বেসেন্ট বলেন, "বিশ্ব একটি দেশকে সহ্য করতে পারে না যার বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার। চীনের অর্থনীতি বেশ দুর্বল এবং তারা তাদের অর্থনীতি পুনর্বিন্যাস করার চেষ্টা করছে।" তিনি আরও জানান যে, তিনি জি২০ সম্মেলনের সময় চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পান গংশেংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশকেক, কিরগিজস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন, শি জিনপিং, মাসুদ পেজেশকিয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ (স্থায়ী সদস্য), ১৫ (সংলাপ অংশীদার), ৪০ (শতাংশ জনসংখ্যা), ২৫ (শতাংশ জিডিপি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!