📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামী বিবেকানন্দের ব্যানারে ‘কটু’ লেখার অভিযোগে বহিষ্কৃত দু’জন ছাত্রী: বিশ্ববিদ্যালয়ের কঠোর শাস্তি ও বামপন্থীদের প্রতিবাদ

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামী বিবেকানন্দের ব্যানারে ‘কটু’ লেখার অভিযোগে বহিষ্কৃত দু’জন ছাত্রী: বিশ্ববিদ্যালয়ের কঠোর শাস্তি ও বামপন্থীদের প্রতিবাদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন ছাত্রীকে ‘কটু’ কথা লেখার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের ছবি যুক্ত ব্যানারে লেখা বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি শাস্তি প্রদান করে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো এই শাস্তিকে ‘মাত্রাতিরিক্ত’ বলে মন্তব্য করেছে

কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন ছাত্রীকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ছাত্রসংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) কর্তৃক ‘কটু’ কথা লেখার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করার এই শাস্তি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ঘটনাটি ১৩ অক্টোবর ঘটে, কিন্তু ৫ নভেম্বরই দু’জন ছাত্রীর কাছে বহিষ্কারের চিঠি পৌঁছায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দু’জন ছাত্রী বহিষ্কৃত: প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত স্নাতকোত্তর এবং অন্যজন স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পোস্ট-স্টুডেন্টশিপে যুক্ত ছিলেন।
  • 📌 ব্যানারে ‘কটু’ লেখা: স্বামী বিবেকানন্দের ছবি যুক্ত ব্যানারে লেখা বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সত্যতা যাচাই করে শাস্তি প্রদান করে।
  • 📌 বহিষ্কার ও ভবিষ্যত নিষেধ: দু’জন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তাদের ভবিষ্যতে যেকোনো ডিগ্রি কোর্সে ভর্তি হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
  • 📌 বামপন্থীদের প্রতিবাদ: এসএফআই, আরএসএফ, আইসা ও এআইডিএস যৌথ বিবৃতিতে এই শাস্তিকে ‘মাত্রাতিরিক্ত’ বলে মন্তব্য করেছে এবং শিক্ষাজীবন ধ্বংস করার বিরোধিতা করেছে।
  • 📌 এবিভিপির দাবি: সংগঠনটি দাবি করেছে যে, স্বামী বিবেকানন্দের মতো ব্যক্তিত্বকে নিজের কলেজে অপমান করা ‘দুর্ভাগ্যজনক’।

📰 বিস্তারিত

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি, ২০০ বছরেরও বেশি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যগত উদারমনস্ক চর্চা ও বিতর্কের আদর্শ বজায় রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘কটু’ কথা লেখার অভিযোগে দু’জন ছাত্রীকে বহিষ্কার করে। ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ অক্টোবর। পরদিনই এবিভিপি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি অধ্যাপক কমিটি গঠন করে।

২৮ অক্টোবর কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং ৩ নভেম্বর তারা তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। ৫ নভেম্বর কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর দু’জন ছাত্রীর কাছে বহিষ্কারের চিঠি পাঠানো হয়। কমিটি সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য শুনে ‘কটু’ কথা লেখার সত্যতা যাচাই করে এই সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেবজ্যোতি কোনা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যগতভাবে সুশীল একাডেমিক চর্চা ও বিতর্কের আদর্শ বজায় রাখার জন্য কোনো গালিগালাজ বরদাশত করা হবে না।

এই কঠোর শাস্তি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো এই শাস্তিকে ‘মাত্রাতিরিক্ত’ বলে মন্তব্য করেছে এবং শিক্ষাজীবন ধ্বংস করার বিরোধিতা করেছে। তারা দাবি করেছে যে, যেকোনো অন্যায় কাজের সাজা হতে পারে, কিন্তু এই শাস্তি অত্যন্ত প্রতিশোধমূলক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই বিষয়টিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন। এবিভিপি তরফে বলা হয়েছে, স্বামী বিবেকানন্দের মতো ব্যক্তিত্বকে তাঁর নিজের কলেজে অপমান করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

"প্রেসিডেন্সি ঐতিহ্যগতভাবে সুশীল একাডেমিক চর্চা ও বিতর্কের আদর্শ বজায় রাখার কারণে কোনো চিন্তাবিদ, মতাদর্শ বা সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে কোনো গালিগালাজ বরদাশত করা হবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দু’জন ছাত্রী (একজন স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত স্নাতকোত্তর, অন্যজন স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০+ বছর (বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স), ১৩ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ১৫ কার্যদিবস (তদন্ত সময়সীমা), ২৮ অক্টোবর (কমিটির প্রথম বৈঠক), ৩ নভেম্বর (প্রতিবেদন জমা), ৫ নভেম্বর (বহিষ্কার চিঠি পাঠানো)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖