📌 যুক্তরাষ্ট্রের মটো পিৎজা রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত দুইটি পিৎজা তৈরির রোবট অকেজো হয়ে পড়েছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পিকনিক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কারিগরি সহায়তাও বন্ধ হয়ে যায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, খাবার তৈরিতে রোবটের সাফল্য এখনো অধরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের মটো পিৎজা রেস্তোরাঁয় দুইটি পিৎজা তৈরির রোবট ব্যবহারের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। রোবট দুটি পিৎজার উপকরণ প্রস্তুত করলেও এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান পিকনিক থেকে এসব রোবট কেনা হয়েছিল। গত মে মাসে পিকনিক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোবট দুটির কারিগরি সহায়তাও বন্ধ হয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মটো পিৎজা রেস্তোরাঁর দুইটি পিৎজা তৈরির রোবট অকেজো হয়ে পড়েছে
- 📌 সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পিকনিক গত মে মাসে বন্ধ হয়ে যায়
- 📌 প্রতিটি রোবটের দাম ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার
- 📌 রোবট দুটির কারিগরি সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মটো পিৎজা কর্তৃপক্ষ হতবুদ্ধি
- 📌 ব্যাংক অব আমেরিকার বিশ্লেষকরা বলছেন, খাবার তৈরিতে রোবটের সাফল্য এখনো অধরা
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের মটো পিৎজা রেস্তোরাঁয় দুইটি পিৎজা তৈরির রোবট ব্যবহারের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। রোবট দুটি পিৎজার উপকরণ প্রস্তুত করলেও এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান পিকনিক থেকে এসব রোবট কেনা হয়েছিল। গত মে মাসে পিকনিক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোবট দুটির কারিগরি সহায়তাও বন্ধ হয়ে যায়। মটো পিৎজার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী লি কিনডেল বলেন, রোবট দুটি ‘মূলত অকেজো’ হয়ে পড়েছে।
রোবট দুটির প্রতিটির দাম ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এখন এগুলো নিয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে ভাবছেন কিনডেল। তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতার কারণে আমি জানি না, আবার কোনো অংশীদারত্বে যেতে চাই কি না।’ পিৎজা তৈরির রোবট ব্যবসায় ব্যর্থতার ঘটনা নতুন নয়। পিকনিক ছাড়াও জুমে ও পাজ্জির মতো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠান রোবোটিক হাত ব্যবহার করে পিৎজা তৈরি করত।
ফাস্ট ফুডকে স্বয়ংক্রিয় করার ক্ষেত্রে পিৎজা তৈরিকে সহজ একটি কাজ মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তা অনেক কঠিন প্রমাণিত হয়েছে। ব্যাংক অব আমেরিকার জ্যেষ্ঠ রেস্তোরাঁ বিশ্লেষক সারা সেনেটর বলেন, ‘কেউ কেউ যেমনটা ভেবেছিলেন, এখন পর্যন্ত আমরা তেমন সাফল্যের গল্প দেখতে পাইনি।’ পাপা জনস ও ডমিনোজের মতো পিৎজা ব্যবসার বড় চেইনগুলোতে ব্যাংক অব আমেরিকার আর্থিক স্বার্থ রয়েছে।
খাবার তৈরির রোবট অনেক সময় কিছুটা অদক্ষ হয়। কখনো তারা ভুল জায়গায় উপকরণ ফেলে দেয়। বিপরীতে মানুষ খুব দক্ষতার সঙ্গে পিৎজা তৈরি করতে পারে। রেস্তোরাঁয় রোবট ব্যবহারের ফলে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তবে পিকনিকের ব্যর্থতায় হতাশ হলেও রোবট নিয়ে আশাবাদী মটো পিৎজার প্রতিষ্ঠাতা লি কিনডেল। তিনি এমন একটি ব্যবস্থা চান, যেখানে ক্রেতা একটি কিয়স্কে অর্ডার দেবেন এবং রোবট তাঁর জন্য তাজা পিৎজা তৈরি করবে।
"রোবট দুটি মূলত অকেজো হয়ে পড়েছে। ব্যর্থতার কারণে আমি জানি না, আবার কোনো অংশীদারত্বে যেতে চাই কি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লি কিনডেল (মটো পিৎজার প্রতিষ্ঠাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রতিটি রোবটের দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!