📌 যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন ন্যাটোর কিছু ইউরোপীয় সদস্য দেশের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে রাশিয়ার সামরিক হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া বক্তব্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষত লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ার নেতাদেরকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ন্যাটোর কিছু ইউরোপীয় সদস্য দেশের নেতাদেরকে রাশিয়ার সামরিক হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া বক্তব্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষত লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ার কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কোলবি এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেন্টাগন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া বক্তব্য দেওয়ার বিরুদ্ধে সাবধান করে দিয়েছে।
- 📌 লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ার কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তবে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর ক্ষেত্রে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
- 📌 ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী অবস্থানের বিষয়ে ইউরোপীয় নেতাদের প্রকাশ্য মন্তব্যকে মার্কিন কর্মকর্তারা "অনাকাঙ্ক্ষিত" হিসেবে দেখছেন।
- 📌 পেন্টাগনের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাশিয়ার হুমকি নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা করলে তা ক্রেমলিনের স্বার্থেই রক্ষা করতে পারে।
- 📌 রাশিয়ার গোপন নাশকতামূলক তৎপরতা বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে নতুন করে তৎপরতা শুরু করছেন। পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কোলবি ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের কাছে রাশিয়ার হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া বক্তব্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়াকে উদ্দেশ করে এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়, যা তাদের উসকে দিতে পারে। বিশেষত, রাশিয়াকে ‘ইঁদুরের মতো কোণঠাসা’ হয়ে পড়েছে বলে ইউরোপীয় নেতাদের প্রকাশ্য মন্তব্যের উদাহরণ দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে অবগত চার ব্যক্তির বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পেন্টাগন ন্যাটোর কিছু সদস্য দেশের কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। তবে ইউরোপের অন্য দেশগুলোকেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘মিত্রদের মধ্যে ব্যক্তিগত আলোচনা ব্যক্তিগতই থাকে। তাই এসব অভিযোগ নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করব না।’
ইউরোপীয় নেতাদের কিছু মন্তব্য মার্কিন কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে আগ্রাসন চালাতে গিয়ে রাশিয়া ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। বিশেষত, ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ অগ্রযাত্রা ধীর হয়ে আসার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যকে অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।
এছাড়া, পেন্টাগনের সাম্প্রতিক বার্তায় সেই বিতর্ক উঠে এসেছে যে, রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী অবস্থানের বিষয়ে প্রকাশ্যে কীভাবে বক্তব্য দেওয়া উচিত। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের একাংশের যুক্তি, মস্কোর সামরিক হুমকি নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা করলে তা ক্রেমলিনের স্বার্থই রক্ষা করতে পারে। অন্যদিকে, অন্য একটি পক্ষ মনে করে, রাশিয়ার হুমকি সম্পর্কে ইউরোপীয় সরকারগুলোর জনগণের কাছে স্বচ্ছ থাকা জরুরি।
"আমরা আপনাদের সহায়তা করছি। আমেরিকানরা আপনাদের পাশে আছে। শুধু খুব বেশি সরব হবেন না। হৈচৈ করবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (পেন্টাগন), মস্কো (রাশিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলব্রিজ কোলবি (পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর (ইউক্রেন যুদ্ধের দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!