📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ন্যাটো মিত্রদের কাছে পাঠিয়েছে রাজনৈতিক আনুগত্য যাচাইয়ের প্রশ্নাবলি। ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশনীতির প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে পেন্টাগন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন ন্যাটো জোটভুক্ত মিত্রদের কাছে একটি প্রশ্নাবলি পাঠিয়েছে, যেখানে তাদের রাজনৈতিক আনুগত্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আল জাজিরার একান্ত সূত্রে প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, প্রশ্নাবলিতে মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতির প্রতি কতটা প্রকাশ্য সমর্থন জানাচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ন্যাটো মিত্রদের রাজনৈতিক আনুগত্য যাচাইয়ের প্রশ্নাবলি পাঠিয়েছে
- 📌 প্রশ্নাবলিতে মিত্রদের বিদেশনীতির প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ন্যাটো ৩.০’ ধারণার প্রতি সমর্থন যাচাই করা হয়েছে
- 📌 ইউরোপীয় কয়েকটি দেশ ইরান যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে
- 📌 স্পেনকে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির চাপ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন ন্যাটো জোটভুক্ত মিত্রদের কাছে একটি তিন পৃষ্ঠার প্রশ্নাবলি পাঠিয়েছে, যেখানে তাদের রাজনৈতিক আনুগত্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আল জাজিরার একান্ত সূত্রে প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, প্রশ্নাবলিতে মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতির প্রতি কতটা প্রকাশ্য সমর্থন জানাচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রশ্নাবলিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "মিত্ররা কি যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতির প্রধান লক্ষ্যগুলোর প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানাচ্ছে?"
প্রশ্নাবলিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, "দেশটি কি যুক্তরাষ্ট্রের ‘শক্তিশালী, স্পষ্ট ও নীরব’ নীতির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে?" — যা মে মাসে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের শাংগ্রি-লা সংলাপে ব্যবহৃত বাক্যাংশের উল্লেখ। প্রশ্নাবলির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে "ন্যাটো মিত্র ও অন্যান্য প্রধান অংশীজনদের জন্য প্রশ্নাবলি"।
প্রশ্নাবলির শেষাংশে আরও রাজনৈতিক প্রশ্ন যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রশ্ন হলো মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের দেশে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে কিনা, বিশেষ করে ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। ইউরোপের কয়েকটি দেশ যুদ্ধ শুরুর পর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে। প্রশ্নাবলিতে জানতে চাওয়া হয়েছে, "মিত্ররা কি এ ধরনের বিধিনিষেধ কমিয়ে আনতে বা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে ইচ্ছুক?"
এ বিষয়ে ন্যাটো জোটের একজন সিনিয়র প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, "এই প্রশ্নাবলি ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা সামরিক অভিযানের সঙ্গে ন্যাটো জোটের বিষয়গুলোকে মিলিয়ে ফেলার প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে। ন্যাটোর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো সম্পর্ক নেই।"
"মিত্ররা কি যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতির প্রধান লক্ষ্যগুলোর প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানাচ্ছে?"
"দেশটি কি যুক্তরাষ্ট্রের ‘শক্তিশালী, স্পষ্ট ও নীরব’ নীতির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ শতাংশ সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!