📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করে। হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন এবং বাংলাদেশের ঐক্য ও উন্নয়নের জন্য আহ্বান জানান
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ শনিবার ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐক্য ও উন্নয়নের পথে অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করে।
- 📌 অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়।
- 📌 রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- 📌 হাইকমিশনার বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নেন।
- 📌 বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান হাইকমিশনার।
- 📌 অনুষ্ঠানের শেষে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ শনিবার সকালে দূতালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপনের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।
দিবসটির উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব সম্পর্কে আলোচনা হয় এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বক্তারা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে বিপ্লবের চেতনা মনেপ্রাণে ধারণ করার আহ্বান জানান।
হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতির অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে আমাদের জাতীয় জীবনে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক্ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্তি দেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।”
হাইকমিশনার বলেন, “৭ নভেম্বর বিপ্লবের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।” অনুষ্ঠানের শেষে দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
"৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতির অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে আমাদের জাতীয় জীবনে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক্ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!