📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদের প্রধান সরকারি হাসপাতাল পিআইএমএসের মাতৃসদনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, উদ্ধারকর্মীদের দেরিতে পৌঁছানোর কারণে দীর্ঘক্ষণ ধরে মৃত্যুঝুঁকিতে ছিলেন শিশুরা
বুধবার ভোরে ইসলামাবাদের প্রধান সরকারি হাসপাতাল পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (পিআইএমএস) মাতৃসদনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, উদ্ধারকর্মীদের দেরিতে পৌঁছানোর কারণে দীর্ঘক্ষণ ধরে মৃত্যুঝুঁকিতে ছিলেন শিশুরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদের পিআইএমএস হাসপাতালের মাতৃসদনে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু
- 📌 ঘটনাস্থলের দরজা তালাবদ্ধ থাকায় স্বজনদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে
- 📌 মাতৃসদনের তৃতীয় তলার এসি যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত
- 📌 ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছাতে দুই ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে বলে অভিযোগ
📰 বিস্তারিত৪০ বছর বয়সী খুররম মেহমুদ নামে এক ব্যক্তি জানান, তিনি তার তিন দিন বয়সী মেয়েকে হারিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উদ্ধারকর্মীদের জন্য আমাদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছিল।’ অন্য এক ব্যক্তি জানান, মাতৃসদনের দরজা তালাবদ্ধ থাকায় তিনি দুই ঘণ্টা ধরে কাঁদছিলেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, দরজা তালাবদ্ধ ছিল না, তবে সেখানে পাহারাদার ছিলেন। তারা জানান, শিশু চুরি ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে স্বজনরা অভিযোগ করেন, হাসপাতালটিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল না। হিবসা ওয়ালিদ বলেন, ‘সেখানে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও নির্দিষ্ট নিরাপত্তাবিধি থাকার কথা ছিল। কিন্তু কেউ কিছুই করছিল না।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় সেখানে দায়িত্বরত কোনো কর্মী ছিলেন না। একজন বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে দরজা ভাঙতে হয়েছিল। আর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্ধারকর্মীরা জানালা ভাঙতে বাধ্য হন।’
"আমি দুই ঘণ্টা ধরে শুধু কাঁদছিলাম আর আর্তনাদ করছিলাম। পুলিশ চার ঘণ্টা পর এসে বলে, তারা তদন্ত করতে এসেছে।" — জাওয়েরিয়া, নিহত নবজাতকের মা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাওয়েরিয়া (নিহত নবজাতকের মা), খুররম মেহমুদ (নিহত শিশুর বাবা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (নিহত নবজাতক), ১৫ (উপস্থিত নবজাতক), ৪০ (বয়স), ১৫৬ (শয্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!