📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বাংলাদেশি রমজান: দেশে ফেরার আকুতিতে মারা যান

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বাংলাদেশি রমজান: দেশে ফেরার আকুতিতে মারা যান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন বাংলাদেশি রমজান আলী (৫২)। তিনি দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন, কিন্তু জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারেননি। পরিবারের সদস্যরা বলেন, রমজানের লাশ কোয়েটার হাসপাতালে রয়েছে এবং দেশে আনার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাসিন্দা রমজান আলী (৫২)। মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে তিনি ছোট বোন মঞ্জুরা বেগমকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘বোন, এখানে গোলাগুলি চলছে। আতঙ্কে আছি। দেশে ফিরে ব্যবসা করতে চাই। থাকব না এখানে’। কিন্তু জীবিত অবস্থায় দেশে ফেরার সুযোগ পাননি তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, রমজানের লাশ বেলুচিস্তানের কোয়েটার একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে এবং দেশে আনার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের পিশিন জেলায় ৩১ আগস্ট রাতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন বাংলাদেশি রমজান আলী (৫২)। তিনি কাস্টম হাউসে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
  • 📌 হামলায় ছয়জন নিহত হন, যার মধ্যে পাঁচজন নিরাপত্তাকর্মী ও একজন কাস্টমস কর্মকর্তা। পাল্টা অভিযানে ১০ হামলাকারী নিহত হয়।
  • 📌 রমজানের বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নডালিয়া এলাকায়। তিনি ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানে যান এবং সেখানে একাকী বসবাস করতেন।
  • 📌 মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে রমজান দেশে ফেরার কথা জানান। পরিবার বলেন, তিনি প্রায় চার লাখ টাকা জমিয়েছিলেন ব্যবসার জন্য।
  • 📌 রমজানের লাশ কোয়েটার হাসপাতালে রয়েছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র পাওয়ার পর লাশ দেশে পাঠানো হবে।

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাসিন্দা রমজান আলী। তিনি পাকিস্তানে দীর্ঘদিন বসবাস করতেন এবং বেলুচিস্তানের পিশিন জেলার জিয়ারাত ক্রস এলাকায় কাস্টম হাউসে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, রমজান মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে ছোট বোন মঞ্জুরা বেগমকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘এখানে গোলাগুলি চলছে। আতঙ্কে আছি। দেশে ফিরে ব্যবসা করতে চাই’। তিনি দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন, কিন্তু জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারেননি।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট রাতে পিশিন জেলার জিয়ারাত ক্রসে কাস্টম হাউসে সন্ত্রাসীরা সমন্বিত হামলা চালায়। হামলায় ছয়জন নিহত হন, যার মধ্যে পাঁচজন নিরাপত্তাকর্মী ও একজন কাস্টমস কর্মকর্তা ছিলেন। পাল্টা অভিযানে ১০ হামলাকারী নিহত হয়। পরিবারের দাবি, নিহত ছয়জনের একজন রমজান আলী। তাঁর লাশ বেলুচিস্তানের কোয়েটার একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

রমজানের বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নডালিয়া এলাকায়। তিনি ১৯৮৯ সালে ১৮ বছর বয়সে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পাকিস্তানে যান। সেখানে বিয়ে করেননি এবং একাই থাকতেন। রমজানের বোন মঞ্জুরা বেগম বলেন, মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় রমজানের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ ছিল। তবে গত সাত-আট বছর পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল না। প্রায় ছয় মাস আগে আবার যোগাযোগ শুরু হয়।

মঞ্জুরা বেগম জানান, রমজান পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে একের পর এক হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত ছিলেন। তিনি দেশে ফেরার জন্য পাঁচ-ছয় মাস আগে প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হলে রমজান টাকা পাঠান। পরে পরিবার তাঁর জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে। রমজানের ভগ্নিপতি কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএসবি) একজন উপপরিদর্শক তাঁদের ঠিকানা ও পরিবারের তথ্য যাচাই করেছিলেন।

"মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে ফোন করে রমজান দেশে ফেরার কথা জানিয়েছিলেন। তখন তাঁকে খুব আতঙ্কিত মনে হচ্ছিল। দেশে ফিরে ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন।"

মঞ্জুরা বেগম বলেন, রমজানের সঙ্গে কোয়েটায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি থাকেন। তাঁদের একজন কক্সবাজারের বাসিন্দা ফোন করে রমজানের নিহত হওয়ার খবর দেন। পরিবার লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। রমজানের ভগ্নিপতি কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, লাশ দেশে আনার জন্য তাঁরা পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দেশে পাঠানো হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাকিস্তানের বেলুচিস্তান (পিশিন জেলা, জিয়ারাত ক্রস), চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা (বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন, নডালিয়া এলাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রমজান আলী (৫২), মঞ্জুরা বেগম, কাইয়ুম চৌধুরী, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ (রমজানের বয়স), ৩১ (আগস্ট), ১০ (হামলাকারী), ১৮ (বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖