📌 আমেরিকান স্টেটস সংস্থা (ওএএস) নিকারাগুয়ার সরকারের বিরুদ্ধে জরুরি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটিতে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে ওএএস বলেছে, পরিস্থিতি এখন ‘জরুরি প্রকৃতির সমস্যা’
আমেরিকান স্টেটস সংস্থা (ওএএস)-এর স্থায়ী পরিষদ বুধবার নিকারাগুয়ার সরকারের বিরুদ্ধে জরুরি বৈঠক ডাকার জন্য প্রস্তাব পাস করেছে। ২৯-১ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়, যেখানে একজন বিরত থাকেন এবং দুই দেশ অনুপস্থিত ছিল। ওএএস-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিকারাগুয়ায় ‘প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র আর বিদ্যমান নেই’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ওএএস-এর প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নিকারাগুয়ায় গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি ‘জরুরি প্রকৃতির সমস্যা’ এবং ‘আমেরিকান রাষ্ট্রসমূহের সাধারণ স্বার্থের বিষয়’
- 📌 প্রস্তাবটি পাস হয় ২৯-১ ভোটে, যেখানে একজন বিরত থাকেন এবং দুই দেশ অনুপস্থিত ছিল
- 📌 নিকারাগুয়ার রাষ্ট্রপতি ড্যানিয়েল ওরতেগা এবং সহ-রাষ্ট্রপতি রোজারিও মুরিল্লো যুগ্ম নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করছেন
- 📌 ওরতেগা সরকার দেশটিতে নির্বাচন বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে এবং বিরোধীদের ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করেছে
- 📌 ওএএস-এর প্রেসিডেন্টকে ‘শীঘ্রই’ বৈঠকের এজেন্ডা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আমেরিকান স্টেটস সংস্থা (ওএএস)-এর স্থায়ী পরিষদ বুধবার নিকারাগুয়ার সরকারের বিরুদ্ধে জরুরি বৈঠক ডাকার জন্য প্রস্তাব পাস করেছে। প্রস্তাবটি গৃহীত হয় ২৯-১ ভোটে, যেখানে একজন বিরত থাকেন এবং দুই দেশ অনুপস্থিত ছিল। ওএএস-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিকারাগুয়ায় ‘প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র আর বিদ্যমান নেই’।
প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, দেশটিতে পরিস্থিতি ‘জরুরি প্রকৃতির সমস্যা’ এবং ‘আমেরিকান রাষ্ট্রসমূহের সাধারণ স্বার্থের বিষয়’। প্রস্তাবটি পাসের পর ওএএস-এর প্রেসিডেন্টকে ‘শীঘ্রই’ বৈঠকের এজেন্ডা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিকারাগুয়ার রাষ্ট্রপতি ড্যানিয়েল ওরতেগা এবং সহ-রাষ্ট্রপতি রোজারিও মুরিল্লো যুগ্ম নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করছেন। ওরতেগা ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেশটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ২০০৭ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসেন। তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। গত জুলাই মাসে সরকার দেশটিতে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করে, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ছয় থেকে সাত বছর করা হবে। এছাড়া বিরোধীদের ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও রয়েছে।
ওরতেগা গত মাসে এক ভাষণে বলেছিলেন, বিরোধীদের সরকার দখলের চেষ্টা রোধে আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। দেশটির আইনসভা সেপ্টেম্বর মাসে এই প্রস্তাবের ওপর ভোট দিতে পারে। তবে নিকারাগুয়া ইতোমধ্যেই ওএএস থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। দেশটি ২০২১ সালে ওএএস ত্যাগের ঘোষণা দেয় এবং ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ ত্যাগ করে।
এর আগেও ওএএস নিকারাগুয়ার সরকারকে দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করার জন্য সমালোচনা করেছে। জাতিসংঘও একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছে। গত জুলাই মাসে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টার্ক সতর্ক করে বলেন, নির্বাচন বাতিলের ফলে নিকারাগুয়ার আইনের শাসন আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, ওরতেগা ও মুরিল্লোর নেতৃত্বে দেশটিতে ‘মৌলিক স্বাধীনতার উপর কঠোর বিধিনিষেধ’ আরোপ করা হয়েছে।
"প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র আর বিদ্যমান নেই"
"এটি একটি জরুরি প্রকৃতির সমস্যা এবং আমেরিকান রাষ্ট্রসমূহের সাধারণ স্বার্থের বিষয়"
"শীঘ্রই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিকারাগুয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড্যানিয়েল ওরতেগা, রোজারিও মুরিল্লো, ভলকার টার্ক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯, ১, ২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!